আসাদুজ্জামান, ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় ইসরাত জাহান মুনা (১৭) নামে এক কিশোরী বধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বিয়ের মাত্র তিন বছরের মাথায় স্বামীর বাড়ি থেকে লাশ হয়ে বের হতে হলো কিশোরী বধূ মুনার। ঘটনাটি উপজেলার মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের আখালীয়া গ্রামে। ৭ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভালুকা মডেল থানা পুলিশ স্বামীর বাড়ি থেকে ওই লাশটি উদ্ধার করে শুক্রবার (৮ জুলাই) সকালে মর্গে প্রেরণ করেছে। পরকীয়ায় বাঁধার কারণে এমন হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে নিহতের পরিবারের দাবি। ঘটনার পর থেকে স্বামী স্বাধীন এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।
পরিবার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আখালীয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন শিকদারের ছেলে স্বাধীন শিকদার প্রায় তিন বছর আগে প্রতিবেশি মো. নাজিম উদ্দিন রনির কিশোরী মেয়ে ইসরাত জাহান মুনাকে ১৪ বছর বয়সে জোর করে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে স্বামীর পরকীয়া সন্দেহে ওই দম্পতির মাঝে প্রায়ই ঝগড়া চলে আসছিলো। তাছাড়া স্বাধীন মাদকাসক্ত থাকায় প্রায়ই সামান্য বিষয় নিয়ে মুনার উপর শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। এদিকে, খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ (৭ জুলাই) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বামীর বাড়ির উঠান থেকে মুনার লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে মুনার স্বামী স্বাধীন গা ঢাকা দেয়।
মেয়ের বাবা মো. নাজিম উদ্দিন রনির দাবি, ঘটনার সময় তার মেয়ে জামাই স্বাধীন বাড়িতেই ছিলো বলে অনেকেই দেখেছেন। স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন বাড়িতে থাকা অবস্থায় তার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারেনা। তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে, আত্মহত্যা বলে প্রচার চালানো হয়। তিনি মেয়ে হত্যার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নিহত মুনার শ^শুর হেলাল উদ্দিন শিকদার জানান, স্বামীর সাথে ঝগড়া করে মুনা আত্মহত্যা করেছে। তিনি বলেন, আমার বড় দুই ছেলে বাড়িতে থাকে না। আমার যদি অন্যায় থাকে থাকে, তবে আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হোক, তবে আমার বড় দুই ছেলেকে নয়।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হেসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয় এবং ময়না তদন্তের জন্যে শুক্রবার সকালে ওই লাশটি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। রিপোর্ট পাওয়ার পর বুঝা যাবে মুনার মুত্যুর ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা।

ময়মনসিংহের ভালুকায় ইসরাত জাহান মুনা (১৭) নামে এক কিশোরী বধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বিয়ের মাত্র তিন বছরের মাথায় স্বামীর বাড়ি থেকে লাশ হয়ে বের হতে হলো কিশোরী বধূ মুনার। ঘটনাটি উপজেলার মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের আখালীয়া গ্রামে। ৭ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভালুকা মডেল থানা পুলিশ স্বামীর বাড়ি থেকে ওই লাশটি উদ্ধার করে শুক্রবার (৮ জুলাই) সকালে মর্গে প্রেরণ করেছে। পরকীয়ায় বাঁধার কারণে এমন হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে নিহতের পরিবারের দাবি। ঘটনার পর থেকে স্বামী স্বাধীন এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।
পরিবার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আখালীয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন শিকদারের ছেলে স্বাধীন শিকদার প্রায় তিন বছর আগে প্রতিবেশি মো. নাজিম উদ্দিন রনির কিশোরী মেয়ে ইসরাত জাহান মুনাকে ১৪ বছর বয়সে জোর করে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে স্বামীর পরকীয়া সন্দেহে ওই দম্পতির মাঝে প্রায়ই ঝগড়া চলে আসছিলো। তাছাড়া স্বাধীন মাদকাসক্ত থাকায় প্রায়ই সামান্য বিষয় নিয়ে মুনার উপর শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। এদিকে, খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ (৭ জুলাই) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বামীর বাড়ির উঠান থেকে মুনার লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে মুনার স্বামী স্বাধীন গা ঢাকা দেয়।
মেয়ের বাবা মো. নাজিম উদ্দিন রনির দাবি, ঘটনার সময় তার মেয়ে জামাই স্বাধীন বাড়িতেই ছিলো বলে অনেকেই দেখেছেন। স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন বাড়িতে থাকা অবস্থায় তার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারেনা। তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে, আত্মহত্যা বলে প্রচার চালানো হয়। তিনি মেয়ে হত্যার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নিহত মুনার শ^শুর হেলাল উদ্দিন শিকদার জানান, স্বামীর সাথে ঝগড়া করে মুনা আত্মহত্যা করেছে। তিনি বলেন, আমার বড় দুই ছেলে বাড়িতে থাকে না। আমার যদি অন্যায় থাকে থাকে, তবে আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হোক, তবে আমার বড় দুই ছেলেকে নয়।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হেসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয় এবং ময়না তদন্তের জন্যে শুক্রবার সকালে ওই লাশটি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। রিপোর্ট পাওয়ার পর বুঝা যাবে মুনার মুত্যুর ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা।