স্টাফ রিপোর্টার দিগন্তবার্তা ডটকম।।
সম্প্রতি একটি পত্রিকায় “অন্তহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের অতলে বিরুনীয়া সদর আলী সরকার মেমোরিয়াল মহিলা কলেজ” এবং “নির্ধারিত পরীক্ষা ছাড়া শিক্ষক কলেজে আসেন না, কলেজে অনুপস্থিত থেকেও সরকারি বেতন নিচ্ছেন প্রিন্সিপালের আশ্রয়ে” শিরোনামে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনে কলেজ সম্পর্কে যেসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তার অধিকাংশই বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, একপাক্ষিক এবং বিভ্রান্তিকর।
প্রতিবেদন দুটিতে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষা কার্যক্রম, কম্পিউটার ল্যাব পরিচালনা, সরকারি অনুদানের ব্যবহার, শিক্ষকদের উপস্থিতি ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলোর যথাযথ তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, সরকারি নথিপত্র ও বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই না করেই সংবাদ প্রকাশ করায় কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
কলেজ কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করেই শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের উপস্থিতি, সরকারি অনুদানের ব্যবহার এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির আওতায় পরিচালিত হয়। প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলোর অনেকগুলোই ভিত্তিহীন, অতিরঞ্জিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বিনীত,
অধ্যক্ষ
বিরুনীয়া সদর আলী সরকার মেমোরিয়াল মহিলা কলেজ
বিরুনীয়া, ভালুকা, ময়মনসিংহ।