ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির সভায়- ফিলিস্তিনি মুসলমানদের স্বাধীনতার আকাংখা দমিয়ে রাখা যাবে না–এডঃ নূরুল ইসলাম খান

শেয়ার করুন :

ষ্টাফ রিপোর্টার-
গাজা উপত্যকায় অবিলম্বে যুদ্ধ বিরতির আহ্বান জানিয়ে ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব ও ১৫ দলীয় প্রগতিশীল ইসলামী জোটের সমন্বয়ক, সাবেক পিপি এডভোকেট মোঃ নূরুল ইসলাম খান বলেন, ফিলিস্তিনি মুসলিম জনগণের স্বাধীনতার আকাংখা ইসরায়েল শক্তি প্রয়োগ করে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ইসরায়েলী বোমা হামলায় আজ ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয়েছে। হানাদার ইসরায়েলের  ব্যাপক বোমা হামলায় প্রায় ছয় হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে,যার অর্ধেকই নারী শিশু। বিশ্বব্যাপী তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও গাজায় বোমা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। কিন্তু তারা জানে না যে,এসব মানবতা বিরোধী বর্বরোচিত  হামলা ও হত্যাযজ্ঞ ফিলিস্তিনি মুসলমানদের স্তব্ধ করে দিতে পারবেনা।
আজ শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) বাদ জুম্মা ঢাকায় মতিঝিলস্থ ওয়াপদা মসজিদ মাদ্রাসা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির, ঢাকা মহানগর দক্ষিন শাখার উদ্যোগে  নির্যাতিত ফিলিস্তিনি মুসলিম জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট মোঃ নূরুল ইসলাম খান একথা গুলো বলেন।

ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য  ও ঢাকা দক্ষিন মহানগর শাখার সভাপতি কাজী মাসুদ আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দলের অতিরিক্ত মহাসচিব মোঃ ওমর ফারুক, প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযুূ্দ্ধা মোঃ হাবিবুর রহমান, জগদীশ কর্মকার মামুন পারভেজ, মাওলানা শামসুল ইসলাম ও মাওলানা আবু বকর প্রমূখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট মোঃ নূরুল ইসলাম খান আরো বলেন, ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ যুদ্ধের ইতিহাস অনেক পুরানো। ১৯৪৮ সালে ব্রিটেন, ফ্রান্স  ও জার্মানির কারসাজিতে ফিলিস্তিনি ভূখন্ডে ইসরায়েল নামক ইহুদী ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তা শুরু হয়েছে।  প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ইসরায়েলের বর্ণবাদী ইহুদীরা ফিলিস্তিনি মুসলমানদের হত্যা ও তাদেরকে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করার যে তান্ডব শুরু করেছিল তা দীর্ঘ ৭৫ বছরেও থেমে থাকেনি। পশ্চিমা শক্তির  সহায়তা নিয়ে বর্ণবাদী  ইসরায়েল  ক্রমেই শক্তিশালী হয়েছে,  আর অন্যদিকে নির্যাতন, বঞ্চনা ও অবহেলার শিকার ফিলিস্তিনের মুসলিম জনগন অপেক্ষাকৃত দুর্বল হলেও তারা তাদের মাতৃভূমি ফিরে পাওয়ার বাসনা পরিত্যাগ করেনি।বরং গত ৭ অক্টোবর দখলদার ইসরায়েলের ভিতরে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের নজিরবিহীন অভিযান প্রমাণ করে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া ফিলিস্তিনি মুসলমানদের উপর যে তান্ডব শুরু করেছিল, তা সুদীর্ঘ ৭৫ বছরেও থেমে থাকেনি। পশ্চিমা শক্তির সহায়তা নিয়ে বর্ণবাদী ইসরায়েল ক্রমেই শক্তিশালী হয়েছে , আর অন্যদিকে নির্যাতন, বঞ্চনা ও অবহেলার শিকার ফিলিস্তিনের মুসলিম জনগন অপেক্ষাকৃত দুর্বল হলেও তারা তাদের মাতৃভূমি ফিরে পাওয়ার বাসনা পরিত্যাগ করেনি। বরং গত ৭ অক্টোবর দখলদার ইসরায়েলের ভিতরে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের নজিরবিহীন অভিযান প্রমাণ করে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া ফিলিস্তিনি মুসলমানদের  প্রতিরোধ আন্দোলন নতুন মাত্রা পেয়েছে। এমনি অবস্থায় ফিলিস্তিনের মুসলিম জনগণের পাশে দাড়ানোর জন্য মুসলিম বিশ্বের সকল রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের প্রতি এডভোকেট মোঃ নূরুল ইসলাম খান আহ্বান জানান।


শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না!!