আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় ভাতিজা মো. রুবেল কুমারের (৩৫) মারা যাওয়ার সংবাদ শোনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন চাচা মো. মজনু কুমার (৫০)। মঙ্গলবার (১০ মে) সকালে ভালুকা পৌর সভার ৫নম্বর ওয়ার্ড পূর্বভালুকা এলাকায় ওই দুই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় দুই পরিবারসহ স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। মারা যাওয়া মজনু কুমার ও রুবেল কুমার একই বংশীয় এবং সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা।
পরিবার ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ভালুকা পৌর সভার ৫নম্বর ওয়ার্ড পূর্বভালুকা গ্রামের মফিজ উদ্দিন কুমারের ছেলে মো. রুবেল কুমার মঙ্গলবার (১০ মে) স্থানীয় একটি মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করেন এবং মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় দরজার কাছে তিনি হঠাৎ লুটিয়ে পড়েন। পরে, অন্যান্য মুসল্লীরা তাকে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. রুবেল কুমারকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।
এদিকে, পৌর সভার একই ওয়ার্ডের মো. মোছেন উদ্দিন কুমারের ছেলে মো. মজনু কুমার ব্যবসায়ী কাজ শেষে একই দিন সকাল সাতটার দিকে ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে বাড়ি ফিরেন এবং ভাতিজা মো. রুবেল কুমার মারা যাওয়ার সংবাদ পেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
উল্লেখ্য, বছর তিনেক আগে ওই বংশের নায়েব আলী কুমার মারা যান। ওই সময় নায়েব আলী কুমারের লাশ দেখতে এসে মারা যান একই বংশীয় তার ভাতিজা আবু সাঈদ কুমার। আবু সাঈদ কুমার ছিলেন মঙ্গলবার ভোরে মারা যাওয়া মো, রুবেল কুমারের সহোদর বড়ভাই।