আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় পূর্ব সত্রুতার জের হিসেবে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে খুঁটির সাথে বেধে নওশাদ খান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে বেধম মারপিট করার অভিযোগ উঠেছে। ৯৯৯ নম্বরে সংবাদ পেয়ে পুলিশ আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, উপজেলার বাঁশিল গ্রামের মৃত কাছুম আলীর ছেলে আব্দুল রহমান কালা ও আব্দুস সাত্তার সাথে প্রতিবেশি আব্দুল কাদিরের ছেলে নওশাদ খানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। বুধবার বিকেলে আব্দুস সাত্তার ও তার লোকজন নওশাদ খানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় রিপন মার্কেটের মিন্টু মিয়ায় চায়ের দোকানের সামনে নিয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে খুঁটির সাথে বেঁধে বেধম মারপিট করে। খোঁজ পেয়ে পরিবারের লোকজন জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেয়।
পরে ভালুকা মডেল থানার এসআই মাহবুব সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে নওশাত খানকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভালুকা ৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহত নওশাদ খান জানান, তার বাবা ৯৭ সালে খুন হয়েছিলেন এবং আব্দুস সাত্তার ওই হত্যা মামলার আসামী। পূর্বসত্রæতার জের হিসেবে তাকেও হত্যার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে খুঁটির সাথে বেঁেধ পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে।
থানায় অভিযোগকারী আহত নওশেদ খানের স্ত্রী সেলিনা আক্তার জানান, প্রতিবেশি আব্দুস সাত্তার পূর্ব সত্রæতার জের ধরে তার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রিপন মার্কেটের মিন্টুর চায়ের দোকানের সামনে খুঁটিতে বেঁধে পায়েল, পিয়েল, মনির ও দেলোয়ার বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে বেধম মারপিট করে। পরে কোন উপায় না পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে তার স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভালুকা মডেল থানার এসআই মাহবুব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৯৯৯ নম্বরে খবর পাওয়ার পর তিনি ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্ত আব্দুস সাত্তার ও তার ছেলে পায়েলকে আটক করা হয়েছে।