আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়া ঘরে রান্না করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ আব্দুল মালেক পাঠান (৬৫) মারা গেছেন। ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় রোববার সকালে তিনি মারা যান। তবে অগ্নিদগ্ধ ছেলে কাজল মিয়া এখনো শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানা গেছে।
জানা যায়, গত শনিবার সকালে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পৌরসভার কোর্টভবন এলাকায় অবস্থিত জব্বার প্লাজার একটি রুমে ভাড়াটিয়া উপজেলার ভান্ডাব গ্রামের আব্দুল মালেক পাঠান রান্না করার জন্য আগুন ধরানোর চেষ্টাকালে মুহুর্তেই পুরো রুমে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসময় আব্দুল মালেকের শরীরে আগুন লেগে গেলে তিনি ডাক চিৎকার শুরু করেন। পরে বাবাকে বাচাঁতে সামনে চা স্টল দোকানদার মালেকের ছেলে কাজল মিয়া দৌড়ে ঘরের ভিতরে বাবাকে উদ্ধার করতে গেলে তিনিও অগ্নিদগ্ধ হন।
তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ভালুকা সরকারি হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসাধিন অবস্থায় রোববার সকালে আব্দুল মালেক পাঠান মারা যান। অগ্নিদগ্ধ হওয়া অপর রোগী নিহত মালেকের ছেলে কাজল মিয়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ময়মনসিংহের ভালুকায় সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়া ঘরে রান্না করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ আব্দুল মালেক পাঠান (৬৫) মারা গেছেন। ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় রোববার সকালে তিনি মারা যান। তবে অগ্নিদগ্ধ ছেলে কাজল মিয়া এখনো শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানা গেছে।
জানা যায়, গত শনিবার সকালে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পৌরসভার কোর্টভবন এলাকায় অবস্থিত জব্বার প্লাজার একটি রুমে ভাড়াটিয়া উপজেলার ভান্ডাব গ্রামের আব্দুল মালেক পাঠান রান্না করার জন্য আগুন ধরানোর চেষ্টাকালে মুহুর্তেই পুরো রুমে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসময় আব্দুল মালেকের শরীরে আগুন লেগে গেলে তিনি ডাক চিৎকার শুরু করেন। পরে বাবাকে বাচাঁতে সামনে চা স্টল দোকানদার মালেকের ছেলে কাজল মিয়া দৌড়ে ঘরের ভিতরে বাবাকে উদ্ধার করতে গেলে তিনিও অগ্নিদগ্ধ হন।
তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ভালুকা সরকারি হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসাধিন অবস্থায় রোববার সকালে আব্দুল মালেক পাঠান মারা যান। অগ্নিদগ্ধ হওয়া অপর রোগী নিহত মালেকের ছেলে কাজল মিয়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।