আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠা রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নারী পুরুষ ও শিশুরা হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার জন্য আসছেন। এদিকে রোগীর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে উপজেলার সর্বত্রই চোখের জীবানুনাশক ড্রপের সংকট দেখা দিয়েছে।
বুধবার সকালে ভালুকা ৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কিছুক্ষন পর পর চোখ উঠা রোগীরা আসছেন। হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাক্তার জানিয়েছেন, প্রতিদিন গড়ে ১৫/২০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। ডাক্তাররা সকাল থেকেই রোগী দেখছেন। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানান, হঠাৎ করে চোখ লালছে রং ধারণ ও ব্যাথা অনুভব করায় কয়েকদিন ধরে সমস্যা হচ্ছে। তাই চিকিৎসকের পরার্মশ নিতে এসেছেন। এদিকে রোগীর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে উপজেলার সর্বত্রই ওষুধ সংকট দেখা দিয়েছে। পৌরসদরের ওষুধের দোকানগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, কোন দোকানেই চোখে দেয়ার জীবনুনাশক ড্রপ নেই।
ভালুকা পাঁচরাস্তারমোড় মা মেডিক্যাল হলের মালিক মামুনুর রশিদ জানান, গত ৫-৬ দিন ধরে চোখ উঠা রোগীর জন্য ব্যবহৃত সব ড্রপের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে জীবানুনাশক ড্রপ সিপ্রোফক্সিন, মক্সিফক্সাসিন, এফনিকল, সুপ্রাফেনসহ প্রায় সব ধরণের ড্রবই সরবরাহ বন্ধ আছে। তবে কি কারণে বন্ধ আছে, তা তিনি সঠিকভাবে বলতে পারেননি।
আসাদুজ্জামান সুমন নামে এক রোগী জানান, দুইদিন ধরে তার চোখ উঠেছে। প্রথমে বেশ জ¦ালপোড়া ও যন্ত্রনাসহ চোখ ফুলে গিয়েছিলো। সতর্কতার সাথে বাড়িতেই তিনি অবস্থান করছেন। আসিফ আলী সেখ নামে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকার এক ব্যবসায়ী জানান, চোখ উঠা রোগ নিয়ে তিনি বেশ কয়েকদিন ভূগছেন, এখন অনেকটা ভালো।
ভালুকা ৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ হাসানুল হোসাইন বলেন, কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠা রোগী প্রতিদিনই বাড়ছে। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হবার কিছু নেই। এ রোগের জন্য তেমন ওষুধের প্রয়োজন পড়েনা। তবে সংক্রামক দুর করতে আক্রান্ত রোগী সবসময়ই কালো চশমা পড়ার পাশাপাশি খোলা হাতে স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকাতে হবে। তাছাড়া রোগীর ব্যবহার্য জিনিস অন্য কেউ ব্যবহার না করা, সে সাথে যেসব খাবারে এলার্জি আছে তা পরিহার করার জন্য তিনি সকলকে পরামর্শ দেন। ওষূধ সংকটের বিষয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, হঠাৎ দেশজুড়ে রোগটি ছড়িয়ে পড়ায় হয়তো কোম্পানীগুলো সরবরাহ করতে পাড়ছেনা।

ময়মনসিংহের ভালুকায় কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠা রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নারী পুরুষ ও শিশুরা হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার জন্য আসছেন। এদিকে রোগীর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে উপজেলার সর্বত্রই চোখের জীবানুনাশক ড্রপের সংকট দেখা দিয়েছে।
বুধবার সকালে ভালুকা ৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কিছুক্ষন পর পর চোখ উঠা রোগীরা আসছেন। হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাক্তার জানিয়েছেন, প্রতিদিন গড়ে ১৫/২০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। ডাক্তাররা সকাল থেকেই রোগী দেখছেন। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানান, হঠাৎ করে চোখ লালছে রং ধারণ ও ব্যাথা অনুভব করায় কয়েকদিন ধরে সমস্যা হচ্ছে। তাই চিকিৎসকের পরার্মশ নিতে এসেছেন। এদিকে রোগীর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে উপজেলার সর্বত্রই ওষুধ সংকট দেখা দিয়েছে। পৌরসদরের ওষুধের দোকানগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, কোন দোকানেই চোখে দেয়ার জীবনুনাশক ড্রপ নেই।
ভালুকা পাঁচরাস্তারমোড় মা মেডিক্যাল হলের মালিক মামুনুর রশিদ জানান, গত ৫-৬ দিন ধরে চোখ উঠা রোগীর জন্য ব্যবহৃত সব ড্রপের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে জীবানুনাশক ড্রপ সিপ্রোফক্সিন, মক্সিফক্সাসিন, এফনিকল, সুপ্রাফেনসহ প্রায় সব ধরণের ড্রবই সরবরাহ বন্ধ আছে। তবে কি কারণে বন্ধ আছে, তা তিনি সঠিকভাবে বলতে পারেননি।
আসাদুজ্জামান সুমন নামে এক রোগী জানান, দুইদিন ধরে তার চোখ উঠেছে। প্রথমে বেশ জ¦ালপোড়া ও যন্ত্রনাসহ চোখ ফুলে গিয়েছিলো। সতর্কতার সাথে বাড়িতেই তিনি অবস্থান করছেন। আসিফ আলী সেখ নামে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকার এক ব্যবসায়ী জানান, চোখ উঠা রোগ নিয়ে তিনি বেশ কয়েকদিন ভূগছেন, এখন অনেকটা ভালো।
ভালুকা ৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ হাসানুল হোসাইন বলেন, কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠা রোগী প্রতিদিনই বাড়ছে। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হবার কিছু নেই। এ রোগের জন্য তেমন ওষুধের প্রয়োজন পড়েনা। তবে সংক্রামক দুর করতে আক্রান্ত রোগী সবসময়ই কালো চশমা পড়ার পাশাপাশি খোলা হাতে স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকাতে হবে। তাছাড়া রোগীর ব্যবহার্য জিনিস অন্য কেউ ব্যবহার না করা, সে সাথে যেসব খাবারে এলার্জি আছে তা পরিহার করার জন্য তিনি সকলকে পরামর্শ দেন। ওষূধ সংকটের বিষয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, হঠাৎ দেশজুড়ে রোগটি ছড়িয়ে পড়ায় হয়তো কোম্পানীগুলো সরবরাহ করতে পাড়ছেনা।