
এসমস্ত কর্মসুচিতে আইএসডিই কর্মসুচি সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম, আইএসডিই বাংলাদেশ’র চকরিয়া উপজেলা ব্যবস্থাপক জালাল উদ্দীন, আইএসডিই বাংলাদেশ’র প্রজেক্ট অফিসার আসিফ নুর হাসনাত, আইএসডিই বাংলাদেশ’র প্রশিক্ষন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল ফাহিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সাংস্কৃতিক প্রচারণা কর্মসুচিতে বক্তাগন বলেন, ককসবাজার জেলায় করোনার টিকা গ্রহনের দি দিয়ে পিছিয়ে আছে। নানা কুসংস্কার ও অজ্ঞতার কারনে টিকা গ্রহনে সাধারন মানুষের আগ্রহ কম। করোনার ৪র্থ ঢেউ আবার দেখা যাচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগতই বাড়ছে। সাধাারণ জনগনের মধ্যে করোনা মহামারী সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা না গেলে ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করা না হলে এ মহামারী থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন। করোনা মহামারী সংক্রমণ প্রতিরোধে কোভিড-১৯ টিকা গ্রহন, মাক্স পরিধান, সামাজিক দূরত্ব বজায়, জনসমাগম এডিয়ে চলা এবং ঘন ঘন হাত ধোয়ার বিকল্প নাই। টিকার পরবর্তী উপসর্গ সম্পর্কে সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। সকল প্রকার গুজব ও কু-সংস্কার পরিহার করতে হবে।
উল্লেখ্য কোভিড-১৯ সংক্রমন প্রতিরোধে ঝুঁকি নিরূপণ, যোগাযোগ সম্পৃক্তকরণ ও টিকা-বার্তা যোগাযোগ জোরদারকরণ প্রকল্পের আওতায় করোনার ঝুঁকি-ভয়াবহতার ব্যাপারে গণসচেতনতা সৃষ্ঠির লক্ষ্যেই এই সাংস্কৃতিক প্রচারাভিযানের আয়োজন করা হয়।