আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন দুই প্রার্থী। তারা হলেন, গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা)। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের জামানত জমা দিতে হয়। মোট প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখর উদ্দিন আহমেদ ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিলেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম, যিনি পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. জাহিদুল ইসলাম (শাপলা কলি) পেয়েছেন ২২ হাজার ১৯৫ ভোট।
অন্যদিকে, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) পেয়েছেন মাত্র ৩৮৬ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা) পেয়েছেন ১ হাজার ৮০৭ ভোট। প্রদত্ত মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশ ভোট না পাওয়ায় এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন দুই প্রার্থী। তারা হলেন, গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা)। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের জামানত জমা দিতে হয়। মোট প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখর উদ্দিন আহমেদ ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিলেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম, যিনি পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. জাহিদুল ইসলাম (শাপলা কলি) পেয়েছেন ২২ হাজার ১৯৫ ভোট।
অন্যদিকে, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) পেয়েছেন মাত্র ৩৮৬ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা) পেয়েছেন ১ হাজার ৮০৭ ভোট। প্রদত্ত মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশ ভোট না পাওয়ায় এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।