ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।।
ময়মনসিংহের ভালুকা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের অতিরিক্ত মোহরার আব্দুল কাদির ১২ বছর আগে বরখাস্ত হলেও স্বপদে বহাল আছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সরকারী স্বার্থসংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীন গোপনীয় বহু তথ্য বাহিরে চলে যাচ্ছে।
জানা যায়, আব্দুল কাদির ২০১৩ সালে একটি আমমোক্তার দলিল নিয়ে অনিয়মের কারণে অতিরিক্ত মোহরার আব্দুল কাদির, আবুল মুনসর ও রুমানা আক্তার নামে তিনজন বরখাস্ত হন। ওই আমমোক্তার দলিলটি সম্পাদন করেছিলেন দলিল লেখক সিরাজুল ইসলাম। কিন্তু অনিমের কারনে বরখাস্তকৃত আবুল মুনসর ও রুমানা আক্তার অফিসে না আসলেও আব্দুল কাদির রহস্যজনক কারণে স্বপদে বহাল আছেন এবং চাকরি চলে যাওয়ার পরও তি ১২ বছর ধরে রেজিস্ট্রি অফিসের অভ্যন্তরিন কাজ করে যাচ্ছেন, যা অফিস সহকারীর করার কথা।
ভালুকা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের এক দলিল লেখক নাম প্রকাশ না করার সর্তে জানান, মোহরার আব্দুল কাদির বরখাস্ত হওয়ার পরও অনিয়মত্রান্তিক ভাবে ১২ বছর ধরে কাজ করছেন। বিষয়টি সাবরেজিস্ট্ররই ভালো বলতে পারবেন, কেনো এবং কিভাবে বরখাস্তকৃত আব্দুল কাদিরকে দিয়ে অফিসের গোপনীয় কাজ করানো হচ্ছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল কাদির তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ১৪ সালে তার চাকরীর বয়স শেষ, তারপর থেকে তিনি অফিস সহকারীর টুকটাক কাজ করে দেন।
ভালুকা সাবরেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্বে) গোলাম সারোয়ারের মোবাইল নম্বরে একাধিক ফোন করলে, তিনি ব্যস্ত আছেন এবং পরে কথা বলবেন বলে জানান।