আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় বনবিভাগের জমি দখল করে দোকানপাট ও একাধিক পাকা বাড়ি নির্মাণ করছেন দুই প্রভাবশালী। ঘটনাটি স্থানীয় বন অফিসের অদূরে ১১০ নম্বর দাগে মাধূরভিটায়। স্থানীয় বনবিভাগের বিটকর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ভালুকা রেঞ্জের আওতায় হবিরবাড়ির মৌজার ১১০ নম্বর দাগে বিনবিজ্ঞপ্তিত জমি দখলে নিয়ে মাধূরভিটা এলাকার মোববাররক হোসেন মোগা প্রকাশ্যে দোকানপাট ও বেশ কয়েকটি বসতঘর নির্মাণ করছেন। তাছাড়া একই দাগে পাশাপাশি ১২ রুমের একটি বসতবাড়ি নির্মাণ করছেন আব্দুস সাত্তার নামে অফর এক ব্যক্তি।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মোবাকব হোসেন ও আব্দুস সাত্তার সদ্য যোগদানকৃত স্থানীয় বিট অফিসার আনোয়ার হোসেনকে ম্যানেজ করেই। বিশাল বাড়ি ও দোকানপাট নির্মাণ করছেন। তারা আরো জানান, ওই বিট অফিসার এই বিটে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে অবৈধদখলকারীদের সুবিধে দিয়ে আসছেন।
এ ব্যাপারে জানাতে অভিযুক্ত মোবারক হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি ফোনটি কেটে দেন।
হবিরবাড়ি বিট কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন খানের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি প্রথমে ফোনটি রিসিভ করেও কেটে দেন। পরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ভালুকা রেঞ্জ কর্মকর্তা ইব্রাহিম সাজ্জাদ জানান, তিনি ট্রেনিংয়ে আছেন। তারপরও অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিটকে নির্দেশ দিচ্ছি।

ময়মনসিংহের ভালুকায় বনবিভাগের জমি দখল করে দোকানপাট ও একাধিক পাকা বাড়ি নির্মাণ করছেন দুই প্রভাবশালী। ঘটনাটি স্থানীয় বন অফিসের অদূরে ১১০ নম্বর দাগে মাধূরভিটায়। স্থানীয় বনবিভাগের বিটকর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ভালুকা রেঞ্জের আওতায় হবিরবাড়ির মৌজার ১১০ নম্বর দাগে বিনবিজ্ঞপ্তিত জমি দখলে নিয়ে মাধূরভিটা এলাকার মোববাররক হোসেন মোগা প্রকাশ্যে দোকানপাট ও বেশ কয়েকটি বসতঘর নির্মাণ করছেন। তাছাড়া একই দাগে পাশাপাশি ১২ রুমের একটি বসতবাড়ি নির্মাণ করছেন আব্দুস সাত্তার নামে অফর এক ব্যক্তি।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মোবাকব হোসেন ও আব্দুস সাত্তার সদ্য যোগদানকৃত স্থানীয় বিট অফিসার আনোয়ার হোসেনকে ম্যানেজ করেই। বিশাল বাড়ি ও দোকানপাট নির্মাণ করছেন। তারা আরো জানান, ওই বিট অফিসার এই বিটে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে অবৈধদখলকারীদের সুবিধে দিয়ে আসছেন।
এ ব্যাপারে জানাতে অভিযুক্ত মোবারক হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি ফোনটি কেটে দেন।
হবিরবাড়ি বিট কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন খানের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি প্রথমে ফোনটি রিসিভ করেও কেটে দেন। পরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ভালুকা রেঞ্জ কর্মকর্তা ইব্রাহিম সাজ্জাদ জানান, তিনি ট্রেনিংয়ে আছেন। তারপরও অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিটকে নির্দেশ দিচ্ছি।