ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় পূর্ববিরোধের জের হিসেবে বাড়ি ঘরে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় এক বৃদ্ধাসহ দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মাঝে দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (১ ফেব্রæয়ারী) দুপুরে উপজেলার পানিহাদী গ্রামে। এ ঘটনায় মডেল থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পানিহাদী মধ্যপাড়ার কালা মিয়ার ছেলে নোমানের (২২) সাথে ফুটবল খেলা নিয়ে দু’বছর আগে পাশের দেইল্যারচালা পাড়ার আলাল, দুলাল, ইয়াসিন আরাফাত, নাজমুল রুহুল ও রায়হানসহ কয়েকজনের মারামারির ঘটনা ঘটে। এরই জের হিসেবে শনিবার (১ ফেব্রæয়ারী) দুপুরে দুলালের ছেলে ইয়াসিন আরাফাতের সাথে নোমানের কথাকাটি ও এক পর্যায়ে মারামাররি ঘটনা ঘটে। এরই জের হিসেবে আলাল ও দুলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল নোমানদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও লুটপটি করা হয়। এতে বাঁধা দিতে গেলে আনছারুল হক (৪০), আলাম (৪৫), পলাশ (৩১), ফেরদৌস (২৬), ফাহাদ (২৩) ও জিলহারুন নাহার (৬০) এবং প্রতিপক্ষ আলাল (৫৫), দুলাল (৪৫), রুবেল (২৫) ও রীনা (৪০) গুরুতর আহত হন। আহতদের ভালুকা সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আলম ও আনছারুলকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হামলার শিকার পলাশ জানান, দুই বছর আগের মারামারির ঘটনায় তাদের বাড়িতে হামলা করে আলাল ও দুললের নেতৃত্বে লোকজন।
অপরদিকে অভিযুক্ত আলাল জানান, তার ভাতিজা ইয়াসিনকে নোমান মারধর করে। পরে এ বিষয়ে তারা বাড়িতে গিয়ে মারধরের কারণ জানতে চাইলে তাদের উপর হামলা করা হয়।
স্থানীয় ওয়ার্ড ইউপি সদস্য রিপন মিয়া জানান, আলাল ও দুলাল গং তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নোমানদের বাড়িতে হামলা চাি মারধর, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামসুল হুদা খান জানান, কোন অভিযোগই তিনি হাতে পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় পূর্ববিরোধের জের হিসেবে বাড়ি ঘরে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় এক বৃদ্ধাসহ দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মাঝে দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (১ ফেব্রæয়ারী) দুপুরে উপজেলার পানিহাদী গ্রামে। এ ঘটনায় মডেল থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পানিহাদী মধ্যপাড়ার কালা মিয়ার ছেলে নোমানের (২২) সাথে ফুটবল খেলা নিয়ে দু’বছর আগে পাশের দেইল্যারচালা পাড়ার আলাল, দুলাল, ইয়াসিন আরাফাত, নাজমুল রুহুল ও রায়হানসহ কয়েকজনের মারামারির ঘটনা ঘটে। এরই জের হিসেবে শনিবার (১ ফেব্রæয়ারী) দুপুরে দুলালের ছেলে ইয়াসিন আরাফাতের সাথে নোমানের কথাকাটি ও এক পর্যায়ে মারামাররি ঘটনা ঘটে। এরই জের হিসেবে আলাল ও দুলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল নোমানদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও লুটপটি করা হয়। এতে বাঁধা দিতে গেলে আনছারুল হক (৪০), আলাম (৪৫), পলাশ (৩১), ফেরদৌস (২৬), ফাহাদ (২৩) ও জিলহারুন নাহার (৬০) এবং প্রতিপক্ষ আলাল (৫৫), দুলাল (৪৫), রুবেল (২৫) ও রীনা (৪০) গুরুতর আহত হন। আহতদের ভালুকা সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আলম ও আনছারুলকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হামলার শিকার পলাশ জানান, দুই বছর আগের মারামারির ঘটনায় তাদের বাড়িতে হামলা করে আলাল ও দুললের নেতৃত্বে লোকজন।
অপরদিকে অভিযুক্ত আলাল জানান, তার ভাতিজা ইয়াসিনকে নোমান মারধর করে। পরে এ বিষয়ে তারা বাড়িতে গিয়ে মারধরের কারণ জানতে চাইলে তাদের উপর হামলা করা হয়।
স্থানীয় ওয়ার্ড ইউপি সদস্য রিপন মিয়া জানান, আলাল ও দুলাল গং তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নোমানদের বাড়িতে হামলা চাি মারধর, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামসুল হুদা খান জানান, কোন অভিযোগই তিনি হাতে পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।