প্রকাশিত হয়েছেঃ সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪ সময়ঃ ২:১০ অপরাহ্ণ
আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মাস্টারবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ক্রাউন ওয়ার্স প্রাইভেট লিমিটেডের নির্মাণাধিন ভবনের লিফটের গর্তে পড়ে সাজ্জাদ হোসেন (২০) নামে এক শ্রমিক নিহতের ঘটনায় দুইদফা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে কারখানার শ্রমিকরা। রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর ঘটনা জানাজানি হলে শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করেন। সোমবার সকালে শ্রমিকরা কাজে যোগদান না করে প্রথমে কারখানার মূলফটকে এবং পরে তারা মহাসড়কে নেমে আসে প্রায় এক ঘন্টা অবরোধ করে রাখে। পরে সেনাবাহিনীর সদস্য, থানা ও শিল্পপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়ে ভ্যাবসা গরমে চরম দূর্ভোগের শিকার হন দূরপাল্লার যাত্রীরা।
শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে তাদের ভাই মারা গেছেন। নির্মাণাধিন ভবনের লিফটের চারপাশে বেড়া থাকলে হয়তোবা এই নির্মম মৃত্যুর ঘটনা ঘটতোনা। এমনকি সাজ্জাদ হোসেন লিফটের গর্তে ৪০ ফুট নিচে পড়ে থাকার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ হয়তো আগেই টের পেয়েছেন। কিন্তু নিজেদের দায় এড়ানোর জন্য পুলিশকে ঘটনাটি না জানিয়ে লিফটের গর্তের চারপাশে রাতারাতি প্রাচীর নির্মাণ করে ফেলেন। তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া হলে হয়তো সাজ্জাদ হোসেনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হতো। শ্রমিকরা কারখানার দায়ি ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার বোতলডাঙ্গা গ্রামের আজাদ হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন ও তার বড় ভাই সেলিম হোসেন ওই কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করে আসছিলেন। সাজ্জাদ হোসেন ক্রাউন ওয়ার্স প্রাইভেট লিমিটেড নামক কারখানার গার্মেন্ট সেকশনে কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর হিসেবে চাকরি করতেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি ডিউটিতে যোগদানের পর নিখোঁজ হন। রোববার সন্ধ্যা থেকে দূর্গন্ধ শুরু হলে নির্মাণাধিন পাঁচতলা ভবনের লিফটের ৪০ ফুট নিচে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পরে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ নিহতের লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের বড় ভাই একই কারখানায় কর্মরত সেলিম হোসেন জানান, তার ভাই সাজ্জাদ হোসেন নিখোঁজ হওয়ার পর গত শনিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামছুল হুদা খান নয়া দিগন্তকে জানান, শ্রমিক নিহতের ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মহাসড়ক অবরোধের বিষয়ে তিনি জানান, শ্রমিক নিহতের ঘটনায় তার সহকর্মীরা মহাসড়ক অবরোধ করলে তাদেরকে বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সড়িয়ে দেয়া হয়।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মাস্টারবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ক্রাউন ওয়ার্স প্রাইভেট লিমিটেডের নির্মাণাধিন ভবনের লিফটের গর্তে পড়ে সাজ্জাদ হোসেন (২০) নামে এক শ্রমিক নিহতের ঘটনায় দুইদফা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে কারখানার শ্রমিকরা। রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর ঘটনা জানাজানি হলে শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করেন। সোমবার সকালে শ্রমিকরা কাজে যোগদান না করে প্রথমে কারখানার মূলফটকে এবং পরে তারা মহাসড়কে নেমে আসে প্রায় এক ঘন্টা অবরোধ করে রাখে। পরে সেনাবাহিনীর সদস্য, থানা ও শিল্পপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়ে ভ্যাবসা গরমে চরম দূর্ভোগের শিকার হন দূরপাল্লার যাত্রীরা।
শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে তাদের ভাই মারা গেছেন। নির্মাণাধিন ভবনের লিফটের চারপাশে বেড়া থাকলে হয়তোবা এই নির্মম মৃত্যুর ঘটনা ঘটতোনা। এমনকি সাজ্জাদ হোসেন লিফটের গর্তে ৪০ ফুট নিচে পড়ে থাকার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ হয়তো আগেই টের পেয়েছেন। কিন্তু নিজেদের দায় এড়ানোর জন্য পুলিশকে ঘটনাটি না জানিয়ে লিফটের গর্তের চারপাশে রাতারাতি প্রাচীর নির্মাণ করে ফেলেন। তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া হলে হয়তো সাজ্জাদ হোসেনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হতো। শ্রমিকরা কারখানার দায়ি ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার বোতলডাঙ্গা গ্রামের আজাদ হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন ও তার বড় ভাই সেলিম হোসেন ওই কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করে আসছিলেন। সাজ্জাদ হোসেন ক্রাউন ওয়ার্স প্রাইভেট লিমিটেড নামক কারখানার গার্মেন্ট সেকশনে কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর হিসেবে চাকরি করতেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি ডিউটিতে যোগদানের পর নিখোঁজ হন। রোববার সন্ধ্যা থেকে দূর্গন্ধ শুরু হলে নির্মাণাধিন পাঁচতলা ভবনের লিফটের ৪০ ফুট নিচে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পরে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ নিহতের লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের বড় ভাই একই কারখানায় কর্মরত সেলিম হোসেন জানান, তার ভাই সাজ্জাদ হোসেন নিখোঁজ হওয়ার পর গত শনিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামছুল হুদা খান নয়া দিগন্তকে জানান, শ্রমিক নিহতের ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মহাসড়ক অবরোধের বিষয়ে তিনি জানান, শ্রমিক নিহতের ঘটনায় তার সহকর্মীরা মহাসড়ক অবরোধ করলে তাদেরকে বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সড়িয়ে দেয়া হয়।
মোট পড়া হয়েছে: ২৬৭
সর্বশেষ খবর
- ময়মনসিংহে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভা
- ভালুকা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জনকে কারাদন্ড
- গফরগাঁওয়ে খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন
- নির্বাচনি আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনের আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
- মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠিত

