প্রকাশিত হয়েছেঃ সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪ সময়ঃ ৪:৩৬ অপরাহ্ণ

Spread the love

আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সর্বত্রই সামন্য বৃষ্টি ও হাল্কা ঝড়োহাওয়ার কারণে প্রায় ১৪ ঘন্টা ছিলো বিদ্যুৎবিহিন। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১১ টার দিকে একই সাথে পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎ চলে যায় এবং মঙ্গলবার বেলা ১ টা ২০ পর্যন্ত প্রায় ১৪ ঘন্টা বিদ্যুৎবিহিন অবস্থায় ছিলো ভালুকার কয়েক হাজার গ্রাহক। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে শিল্পাঞ্চল ভালুকার প্রায় ১০ লাখ জনগন। তাছাড়া চরম ক্ষতির মুখেও পড়তে হয়েছে কয়েক’শ শিল্পপ্রতিষ্ঠান।
পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকরা জানান, ভালুকায় কয়েকদিন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভালই ছিলো। কিন্তু বর্তমানে আগের রুপ ধারণ করেছে। আকাশে মেঘ দেখলেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং তা বেশ কয়েক ঘন্টা চলে। সোমবার রাত সাড়ে ১১ টার সময় হাল্কা বাতাস শুরু হওয়ার আগেই পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং তা প্রায় ১৪ থেকে ১৫ ঘন্টা পর পৌরএলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও গ্রামাঞ্চলে প্রায় ২০ ঘন্টা বিদ্যুৎবিহিন অবস্থায় থাকতে হয়েছে।
ভালুকা পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী এ জেড এম আনোয়ারুজ্জামান জানান, ভালুকায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রায়  ৩২ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। তবে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কতোটি মিটার রয়েছে, তা এই মুহুর্তে বলা যাচ্ছে না। বিদ্যুতের কোন ঘাটতি নেই এবং চাহিদা অনুযায়ী ২২ মেগাওয়াট বরাদ্দ রয়েছে। সোমবার রাতে হাল্কা ঝড়ে পৌরএলাকাসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ লাইনের উপর গাছের ডাল ভেঙে পড়ায় রাত ১১ টায় অটো বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পৌরএলাকায় ডালপালা কেটে দুপুর ১ টা ২০ মিনিটে বিদ্যুৎ দেয়া হয়েছে। তবে গ্রামাঞ্চলে সরবরাহ করতে একটু সময় লাগবে।
ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ (ভালুকা) এর ডিজিএম (কারিগরি) কমলেশ চন্দ্র বর্মন জানান, এই সমিতির আওতায় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পসহ চার লাখ ৮৭ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে। সোমবারের ঝড়োহাওয়ায় ভালুকা সদরসহ মাওনা ত্রিশাল এলাকায় ১২ টি সঞ্চালন খুঁট পড়ে গিয়েছে। এতে ১০ টি ট্রান্সফরমারসহ বিভিন্ন জায়গায় তার ছিড়ে গেছে। কোন কোন স্থানে পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুতের তার একটার উপর আরেকটা পড়ে গিয়েছিলো। এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিছু কিছু স্থানে সংস্কার করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। সন্ধ্যা নাগাদ বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রকাশক ও সম্পাদক

আসাদুজ্জামান (ফজলু)

হাউজ নং: ২০, ফ্ল্যাট নং: বি২, রোড নং: ০৭

সেকশন: ১২, উত্তরা, ঢাকা – ১২৩০

মোবাইল: ০১৭১৮-১৯২৬৮৫, ০১৭৬১-৫৮২৩৩৮

ইমেইল: contact@digontabarta.com