প্রকাশিত হয়েছেঃ মে ৮, ২০২৪ সময়ঃ ৬:২৪ অপরাহ্ণ

Spread the love

আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা ঘটনায় নিহতের স্বামী, শাশুরি, খালা শাশুরি ও দেবরের হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বাবা হাছেন আলী বাদি হয়ে বুধবার (৮ মে) সকালে মডেল থানায় মামলাটি করেন। এ ঘটনায় শাশুড়ি সুফিয়া আক্তারকে (৫৭) পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন। এ খুনের মুল মাস্টার মাইন সোহেলা রানাসহ অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানায়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৭/১৮বছর পূর্বে উপজেলার পশ্চিম পশ্চিমকাচিনা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আজহার আলীর ছেলে সোহেল রানার সাথে পালগাঁও গ্রামের হাছেন আলীর মেয়ে হাজেরা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। স্বামী সোহেল রানা তাঁর ছোট ভাই দোয়েলের সাথে ঢাকায় বাসের হেলপারি করতো। স্ত্রী হাজেরা খাতুন উপজেলার কাশর এলাকায় টিএম টেক্সটাইল মিলে চাকুরি করতেন। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে পরকীয়া নিয়ে সন্দেহ করতো। পুলিশের ধারণা পরকীয়া সন্দেহেই সোমবার (৬ মে) রাতের কোন এক সময় সোহেল তাঁর স্ত্রীকে দাঁড়ালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করে বাড়ির পাশের ধান ক্ষেতে ফেলে রাখে। ঘটনা পর থেকেই হাজেরার স্বামী পলাতক। এ হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা বাদি হয়ে মেয়ে জামাইসহ চারজনকে আসামি করে মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন, নিহতের স্বামী সোহেল রানা (৪০), তাঁর শাশুড়ি সুফিয়া খাতুন (৫৭), দেবর দোয়েল মিয়া (৩৭) ও খালা শাশুড়ি  মিনারা খাতুন (৬০)। তাঁদের সবার বাড়ি উপজেলা পশ্চিম কাচিনা গ্রামে।
ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি) মো. শাহ্ কামাল আকন্দ জানান, খুনের ঘটনায় নিহতের বাবা বাদি হয়ে চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় নিহতের শাশুড়িকে গ্রেফতার করে জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছে। নিহত হাজেরার সংসারের সকল বিষয়ে খালাশাশুড়ি মিনারা খাতুন সব সময় নাগ গলাতো বলে বাদি তাঁকে আসামি করেছেন। সোহেলাকে গ্রেফতার করতে পারলে এ হত্যার মুল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব।

প্রকাশক ও সম্পাদক

আসাদুজ্জামান (ফজলু)

হাউজ নং: ২০, ফ্ল্যাট নং: বি২, রোড নং: ০৭

সেকশন: ১২, উত্তরা, ঢাকা – ১২৩০

মোবাইল: ০১৭১৮-১৯২৬৮৫, ০১৭৬১-৫৮২৩৩৮

ইমেইল: contact@digontabarta.com