সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ভালুকার মকবুলের লাশ দুই মাস পর বাড়িতে পৌঁছলো।

শেয়ার করুন :

আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
রেমিট্যান্স যোদ্ধা ময়মনসিংহের ভালুকার মো. মকবুল হোসেন শেখের লাশ বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোরে তার বাড়িতে পৌঁছেছে। গত ১১ অক্টোবর সৌদি আরবের তাবুক শহরের একটি সড়কে কাজ করার সময় গাড়িচাপায় তিনি নিহত হন। মকবুল হোসেন উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের বান্দিয়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের বান্দিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে নিন্মবিত্ত মো. মকবুল হোসেন তার পরিবারের আর্থিক সচ্ছলার জন্যে প্রায় ১৭ বছর মালয়েশিয়ায় চাকরি করে দেশে ফিরে আসেন এবং স্থানীয় বান্দিয়া বাজারে ডেকোরেশন ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু ৭-৮ বছরে ডেকোরেশর ব্যবসায় সফলতা না আসায় ২০১৮ সালে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা ব্যয়ে ক্লিনারের কাজ নিয়ে সৌদি আরব যান। এদিকে, গত ১১ অক্টোবর সৌদি আরবের তাবুক শহরে একটি সড়কে কাজ করার সময় গাড়ি চাপায় তিনি নিহত হন। উবায়েদ উল্যাহ (১১) নামে এক ছেলে রয়েছে তার। এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মাস পর নিহতের লাশ গত মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) রাত দুইটার দিকে ঢাকা আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছে। পরবর্তীতে লাশ তার বাড়িতে পৌঁছলে স্বজনদের কান্নায় ওই বাড়ির বাতাস ভারী হয়ে উছে। খবর পেয়ে প্রতিবেশী ও স্বজনেরা ভোর রাতেই ওই বাড়িতে গিয়ে ভিড় করেন। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) জানাজা শেষে মরহুমের লাশ পারিবারিক গোরস্থান দাফন করা হয়।
মকবুল হোসেনের নিকট আত্মীয় মো. শফিকুল ইসলাম জানান, গাড়িচাপায় তার ভাগ্নে মকবুল হোসেন নিহত হওয়ার ঘটনায় সৌদি আরবে মামলা হয়েছে। পরে, ওই দেশের বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের উদ্যোগে বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোরে লাশ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। মকবুল হোসেনের লাশ বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে আসতে প্রায় রাড়ে চার লাখ টাকা খরচ হয়েছে।

 

 

 


শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না!!