তারাকান্দায় গোলাপ হত্যার রহস্য উদঘাটন: গ্রেফতার ১

শেয়ার করুন :

মোঃ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি।।
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বালিখা ইউনিয়নের গোলাপ হোসেন হত্যার রহস্য উদঘাটন করে এবং ঘটনার সাথে জড়িত হারুন অর রশিদ (৫০) নামের একজনকে গ্রেফতার করে তারাকান্দা থানা পুলিশ।গ্রেফতারকৃত আসামি বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করে।
রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারী) রাতে ময়মনসিংহ সদরের ভাবখালী এলাকা হতে হারুন অর রশিদ কে গ্রেফতার করা হয়।
তারাকান্দা থানার ওসি আবু খায়ের জানান, গত ২১ জানুয়ারি রাত ৮ টায় তারাকান্দা থানাধীন বালিখা গ্রামের গোলাপ হোসেন এর বসত বাড়ীর উত্তর পাশে জনৈক আব্দুল মান্নার এর মালিকানাধীন পুকুরের উত্তর পাড় সংলগ্ন গোলাপ হোসেনের সেচ মটর পাম্প হতে হারুন অর রশিদ নিজ জমিতে পানি দেওয়ার জন্য যায়। গোলাপ হোসেন এর নিকট হারুন অর রশিদ নিজ জমিতে পানি দেওয়ার জন্য বললে গোলাপ হোসেন পানি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে মোঃ হারুন অর রশিদ (৫০) ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনাস্থলে সেচ মটর পাম্প এর পাশে থাকা একটি বাশের লাঠি দিয়ে গোলাপ হোসেনের মাথায় আঘাত করে। গোলাপ হোসেন মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরন করে। কিছুক্ষণ পর গোলাপ হোসেনের বড় ভাই জমিতে পানি দিতে গিয়ে তার ভাইয়ের লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। এই প্রেক্ষিতে গোলাপ হোসেনের মেয়ে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
 তারাকান্দা থানা পুলিশ মামলার ঘটনাটি অধিক গুরুত্ব বিবেচনা করে পেশাদারিত্বের সহিত তদন্ত করে মামলার রহস্য উদঘাটন করে। আসামী হারুন অর রশিদ কে ২৬ ফেব্রুয়ারী রাত দেড়টায় ময়মনসিংহ কোতয়ালী মডেল থানাধীন ভাবখালী এলাকা হইতে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আসামী হারুন অর রশিদ গ্রেফতার এড়ানোর জন্য দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।
 গ্রেফতারের পর প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে আসামীর দেওয়া তথ্যমতে আসামীকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে তারাকান্দা থানাধীন বালিখা ইউপির বালিখা মধ্যেপাড়া জনৈক আব্দুল মান্নার এর মালিকানাধীন পুকুরের উত্তর পাড় হইতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ২২১ সেমি একটি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করে আলামত হিসাবে জব্দ করা হয়।
ওসি আরও জানান, আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে আসামী ফৌজিদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *