স্টাফ রিপোর্টার, দিগন্তবার্তা ডেক্স।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় ক্লিনিকের কর্তব্যরত ডাক্তারের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির পেটের সন্তান মারা যাওয়ার অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। ঘটনাটি ঘটেছে ১১ জানুয়ারী বুধবার সকালে ভালুকা সরকারী হাসপাতাল রোডে বন্ধন হাসপাতাল এন্ড বন্ধন ডিজিটাল ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে। পরে তড়িগড়ি করে রোগীকে বিকেলে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাশের ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ি গুজিয়াম গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদ মিয়ার স্ত্রী আছমা খাতুনের (৩৬) প্রসব ব্যাথা শুরু হলে মঙ্গলবার রাত ১২ টার সময় ভালুকা ৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এ সময় হাসপাতালে ডাক্তার না থাকার কথা বলে বন্ধন ক্লিনিকের নারী দালাল আনোয়ারা খাতুন রোগীর স্বজনকে ফুসলিয়ে ওই ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি (রেজি নম্বর-১৫০৮) করান।

ময়মনসিংহের ভালুকায় ক্লিনিকের কর্তব্যরত ডাক্তারের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির পেটের সন্তান মারা যাওয়ার অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। ঘটনাটি ঘটেছে ১১ জানুয়ারী বুধবার সকালে ভালুকা সরকারী হাসপাতাল রোডে বন্ধন হাসপাতাল এন্ড বন্ধন ডিজিটাল ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে। পরে তড়িগড়ি করে রোগীকে বিকেলে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাশের ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ি গুজিয়াম গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদ মিয়ার স্ত্রী আছমা খাতুনের (৩৬) প্রসব ব্যাথা শুরু হলে মঙ্গলবার রাত ১২ টার সময় ভালুকা ৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এ সময় হাসপাতালে ডাক্তার না থাকার কথা বলে বন্ধন ক্লিনিকের নারী দালাল আনোয়ারা খাতুন রোগীর স্বজনকে ফুসলিয়ে ওই ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি (রেজি নম্বর-১৫০৮) করান।
রাতেই ক্লিনিকে দায়িত্বরত গাইনী ডাক্তার কানিজ ফাতেমা রোগীর স্বজনকে ব্যবস্থাপত্র ধরিয়ে দেন এবং রোগীর আল্ট্রাসনোগ্রাম করে স্যালাইন পুশ করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষন চিকিৎসা চলার পর রোগীর রক্তক্ষরণ শুরু হলে, রক্ত বন্ধ হওয়ার জন্য ঔষধ দেয়া হয় এবং বলা হয়, ডাক্তারের সাথে কন্ট্রাক করে বুধবার বিকেলে সিজারীয়ান অপারেশন করে বাচ্চা প্রসব করা হবে।
রোগী আছমা খাতুন জানান, সকাল ৯ টার সময় তার পেটে বাচ্চা নড়াচলা করলেও ১০ টার পর থেকে নড়াচরা বন্ধ হয়ে যায়। পরে ক্লিনিক মালিক আনিছুর রহমান তার স্বামীকে ডেকে নিয়ে বাচ্চার অবস্থা ভালো নয় বলে, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
রোগীর স্বামী আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া জানান, সরকার হাসপাতালের সামনে থেকে আমাদের বন্ধন ক্লিনিকে নিয়ে আসে আনোয়ারা নামে এক মহিলা। পরে অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চা প্রসবের জন্য ১৪ হাজার টাকা চুক্তি করে আমার রোগীকে ভর্তি করে। ওই সময় আমার স্ত্রীর গর্ভের সন্তান সুস্থ্য ছিলো। কিন্তু ডাক্তার ভুল চিকিৎসার কারনে পেটে বাচ্চ মারা যায়।
রোগীর স্বজন শাহাব উদ্দিন জানান, বন্ধন হাসপাতালের লোকজনই রোগীকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। সিজারীয়ান অপরেশনের মাধ্যমে পেটের মৃত বাচ্চা বের করা হবে বলে ডাক্তার জানিয়েছেন।
হাসপাতালের মালিক আনিছুর রহমান জানান, রোগী ভর্তির আগেই পেটে বাচ্চা মৃত ছিলো। তাছাড়া তিনি তার ল্যাবের পরীক্ষায় রোগীর রক্তে হেপাটাইটিস (এইচবিএসএজি) রোগের জীবানু থাকায়, রোগীকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ হাসানুল হোসাইন জানান, বিষয়টি তার নলেজে নেই। তাছাড়া হাসপাতালে ডাক্তার নেই, এমনটা ভাবাও ঠিক নয়। তবে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করলে, কমিটি করে তদন্তপূর্বক আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রোগী আছমা খাতুন জানান, সকাল ৯ টার সময় তার পেটে বাচ্চা নড়াচলা করলেও ১০ টার পর থেকে নড়াচরা বন্ধ হয়ে যায়। পরে ক্লিনিক মালিক আনিছুর রহমান তার স্বামীকে ডেকে নিয়ে বাচ্চার অবস্থা ভালো নয় বলে, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
রোগীর স্বামী আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া জানান, সরকার হাসপাতালের সামনে থেকে আমাদের বন্ধন ক্লিনিকে নিয়ে আসে আনোয়ারা নামে এক মহিলা। পরে অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চা প্রসবের জন্য ১৪ হাজার টাকা চুক্তি করে আমার রোগীকে ভর্তি করে। ওই সময় আমার স্ত্রীর গর্ভের সন্তান সুস্থ্য ছিলো। কিন্তু ডাক্তার ভুল চিকিৎসার কারনে পেটে বাচ্চ মারা যায়।

রোগীর স্বজন শাহাব উদ্দিন জানান, বন্ধন হাসপাতালের লোকজনই রোগীকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। সিজারীয়ান অপরেশনের মাধ্যমে পেটের মৃত বাচ্চা বের করা হবে বলে ডাক্তার জানিয়েছেন।
হাসপাতালের মালিক আনিছুর রহমান জানান, রোগী ভর্তির আগেই পেটে বাচ্চা মৃত ছিলো। তাছাড়া তিনি তার ল্যাবের পরীক্ষায় রোগীর রক্তে হেপাটাইটিস (এইচবিএসএজি) রোগের জীবানু থাকায়, রোগীকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ হাসানুল হোসাইন জানান, বিষয়টি তার নলেজে নেই। তাছাড়া হাসপাতালে ডাক্তার নেই, এমনটা ভাবাও ঠিক নয়। তবে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করলে, কমিটি করে তদন্তপূর্বক আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।