প্রকাশিত হয়েছেঃ সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৪ সময়ঃ ৮:৩০ অপরাহ্ণ
ভালুকা প্রতিনিধি।।
ময়মনসিংহের ভালুকা প্রেসক্লাব সেক্রেটারী আসাদুজ্জামান সুমনের মাধ্যমে সংসদ নির্বাচন চলাকালে বা নির্বাচনের আগের দিন প্রেসক্লাব সদস্যদেরকে আর্থিক সুবিধা দেয়া বা না দেয়া বিষয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ভালুকার সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য এমএ ওয়াহেদ একটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসটি নিয়ে প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের মাঝে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ভালুকা প্রেসক্লাবের সাধারণ পরিষদ সভায় এনিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয় এবং স্ট্যাটাসটি ভালুকা প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের অনেকাংশেই মানহানি হয়েছে বলে বহু সদস্যই মন্তব্য করেন। ফলে সাবেক এমপি ওয়াহেদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব ও তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। কিন্তু ওইদিন সভাটি মুলতবি হয়ে যাওয়ায় এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। তবে ২১ সেপ্টেম্বর মুলতবি সভায় আলোচনার এক পর্যায়ে সাবেক সভাপতি এসএম শাহজাহন সেলিম ও কার্যকরী সদস্য এনটিভি প্রতিনিধি আলমগীর হোসেনসহ অনেক সদস্য সাবেক এমপি এমএ ওয়াহেদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাবের প্রস্তাব করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে এমএ ওয়াহেদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাবটির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রেসক্লাব সভাপতি মালেক খান উজ্জ্বলের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান সুমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সভাপতি এসএম শাহজাহান সেলিম, মাইন উদ্দিন, কামরুল হাসান পাঠান কামাল, কামরুজ্জামান মানিক, মোখলেছুর রহমান মনির, আতাউর রহমান, এমএ সবুর, শাহ মো: হাসান, বীরেন রায়, ফিরোজ খান, আসাদুজ্জামান ফজলু, আলমগীর হোসেন, হাদিকুর রহমান হাদিস, মোবাশ্যারুল ইসলাম সবুজ, রফিকুল ইসলাম রফিক, আক্কাস আলী, কামরুল আহসান চন্দন, ওয়ালী উল ইসলাম আজমী, তমাল কান্তি সরকার, মনিরুজ্জামান মনির, খলিলুর রহমান, আবদুস সামাদ, রফিকুল ইসলাম হিরন, আবুল বাশার, শফিকুল ইসলাম সবুজ, জুনায়েদ শাহরিয়ার, মাওলানা হারুন আর রশিদ, আউলাদ হোসেন রুবেল, আবু সাইদ জুয়েল, মেহেরুল হক রিপন, কামরুল আরেফিন, জাহিদুল ইসলাম খান, আফরোজা আক্তার জবা প্রমুখ।

