ভালুকায় ১৪ দিনেও জ্ঞান ফিরেনি হামলায় আহত স্কুলছাত্র শাকিবের

শেয়ার করুন :

আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আহত স্কুল ছাত্র শাহ সাকিব আহমেদের (১৪) জ্ঞান ফিরেনি চৌদ্দ দিনেও। সাকিব ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে। গত ৯ নভেম্বর রাতে ইসলামী মাহফিল থেকে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ববিরোধের জেরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার সে গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় মডেল থানায় মামলা হলে পুলিশ নাহিদ নামে এক কিশোরকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়।
মামলা, আহত শাকিবের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভালুকা উপজেলার উথুরা গ্রামের শাহ মো: আল মুজাহিদ বুলবুলের ছেলে উথুরা স্কুল এন্ড কলেজের অস্টম শ্রেণীর ছাত্র শাহ সাকিব আহমদের সাথে একদল কিশোরের বিরোধ চলে আসছিলো। ঘটনারদিন গত ৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় শাকিব খোলাবাড়ি গ্রামের আবদুল খালেকের বাড়ি সংলগ্ন ইসলামী ওয়াজ মাহফিলে যায়। কিছুক্ষণ ওয়াজ শুনার পর সে বাড়ি চলে যাওয়ার পথে পূর্ব থেকে উ্যঁৎ পেতে থাকা একদল কিশোর তার পথরোধ করে। এ সময় দা ও লাঠি দিয়ে শাকিবের মাথা ও শরীরসহ বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে আহত অবস্থায় তাকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়। খোঁজ পেয়ে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন শাকিবকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু শাকিবের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তার তাকে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে রেফার করেন।
ওই ঘটনায় আহত সাকিবের চাচা শাহ মো: আল ফারুক সবুজ বাদি হয়ে পাশের খোলাবাড়ি গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেন (১৬), মন্তু মিয়ার ছেলে নাহিদ (১৫), খোরশেদের ছেলে শরিফ মিয়া (১৭), আতিকুল ইসলামের ছেলে মোশারফ হোসেন (১৬), শহিদ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (১৬), মেঞ্জেনা গ্রামের আবু ইফসুফের ছেলে শান্ত মিয়া (১৭) এবং ফুলবাড়িয়া উপজেলার মহেশপুরের রিফাত (১৬) ও অজ্ঞাতনামীয় ৫-৭ জনকে আসামী করে ভালুকা মডেল থানায় মামলা করেন।
মামলার বাদি শাহ মো: আল ফারুক সবুজ জানান, তার ভাতিজা সাকিব ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে। ১৪ দিনেও তার জ্ঞান ফিরেনি। তিনি ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের অভিলম্ভে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভালুকা মডেল থানার এসআই নজরুল ইসলাম জানান, ওই ঘটনায় নাহিত এক কিশোরকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না!!