ষ্টাফ রিপোর্টার, দিগন্তবার্তা ডেক্স।।
প্রগতিশীল ইসলামী জোটের চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি এম. এ আউয়াল বলেছেন, যেহেতু সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে, তাই সরকারের মূল দায়িত্ব হচ্ছে সব দলগুলোকে এক ছাদের তলে নিয়ে আসা। সবার অংশগ্রহণে গণতন্ত্রের অবয়ব আরও সুন্দর হয়। পরিস্থিতি ও চক্রান্ত মোকাবিলা সহজ হয়।
বুধবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে আব্দুস সালাম হলরুমে
অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় করণীয়’ আলোচনা সভার আয়োজন করে প্রগতিশীল ইসলামী জোট।
প্রগতিশীল ইসলামী জোটের সমন্বয়ক ও ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব সাবেক পিপি এডভোকেট মোঃ নূরুল ইসলাম খানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় জোটের কো-চেয়ারম্যান, সমন্বয়কদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মুফতি সৈয়দ মাহাদী হাসান বুলবুল, মুফতি আহসান উল্লাহ সালামী, সামছুল আলম চৌধুরী সুরমা ভাই, মোঃ আতাউল্লাহ খান, খন্দকার এনামুল নাছির, কাজী মাসুদ আহম্মেদ, সুলতান জিসান উদ্দিন প্রধান, মোঃ হাবিব উদ্দিন আহমেদ, মোঃ আনোয়ার হোসেন, ডাঃ মোঃ সম্রাট জুয়েল ও এহতেশামুল হক রুবেল প্রমুখ।
আসন্ন সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে এম এ আউয়াল বলেন, ন্যুনতম ছাড়ের ভিত্তিতে রাজনীতিতে বিভাজন কমিয়ে আনা দরকার। প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের স্বদেশ গড়তে হলে স্থায়ীভাবে নির্বাচন ব্যবস্থার কোনও বিকল্প নাই। আর এর প্রথম দায়িত্ব সরকারের।
তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নতি, আর উন্নত জীবনের যে প্রগতি নির্মাণ করেছেন, সেই নির্মাণকে আরও শক্তিশালী উপায়ে এগিয়ে নিতে অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচনের কোনও বিকল্প নেই। সুষ্ঠু নির্বাচনকল্পে প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন, তার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে উন্নতির নতুন দিকদর্শনের উন্মোচিত হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রগতিশীল ইসলামী জোটের পক্ষ থেকে জোর দাবি করছি, সরকার যেন অবিলম্বে ফিলিস্তিনের যুদ্ধকবলিত মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে বাংলাদেশের সতেরো কোটি মানুষের সহযোগিতা পৌঁছে দেয়। সরকারের পক্ষ যা যা সম্ভব, সবগুলো উপায় অবলম্বন করে অবিলম্বে ত্রাণ পাঠানো হোক।
,###