প্রকাশিত হয়েছেঃ জুলাই ২৬, ২০২৩ সময়ঃ ৫:৩৩ অপরাহ্ণ

Spread the love

আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকা পৌর শহরের আনাচে কানাচে এমনকি বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কের পাশে স্থায়ীভাবে গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। আর সেখান থেকে দিন-রাত সার্বক্ষণিক পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে দূষিত হচ্ছে এলাকার পরিবেশ। পাশাপাশি ময়লার স্তুপগুলো এখন মশা উৎপাদনের খামারে পরিণত হয়েছে। এতে পৌর এলাকায় মশার উপদ্রব ভয়ানক হারে বেড়ে যাওয়ায় জনসাধারণের মাঝে বাড়ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক। গত সপ্তাহে ৭ জন ডেঙ্গুরোগী সনাক্ত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ভালুকা পৌরসভাটি বেশ কয়েক বছর আগে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত করা হয়। শিল্পায়নের ফলে এই পৌরসভায় বর্তমানে লোকসংখ্যা প্রায় দুই লক্ষাধিক। কিন্তু নাগরীক সুবিধা রয়েছে আগের মতোই। প্রায় প্রতিটি রাস্তাই চলাচলের অযোগ্য, ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। বিল্ডিং কোট না মেনে রাস্তার উপরই যার যে ভাবে ইচ্ছে নির্মাণ করছেন ছোট বড় ঘরবাড়িসহ বহুতল ভবণ। বিভিন্ন স্থানে ডোবা নালা সারা বছরই থাকে ময়লা আবর্জণা ও কচুরীপনায় একাকার। বিশেষ করে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড ভান্ডাব এলাকায় ভালুকা সরকারী কলেজের উত্তরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিম পাশে স্থায়ীভাবে গড়ে উঠেছে পৌরএলাকার বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে নিয়ে ফেলা ময়লা আবর্জনার ভাগাড়। যা থেকে মশা উৎপাদনসহ ছড়াচ্ছে বিভিন্ন রোগবালাই। তাছাড়া দূর্গন্ধের কারণে নাকে কাপড় দিয়ে পথচারীদের চলাচল করতে হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। বার বার অভিযোগ করার পরও পৌরকর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি মশা নিধন ও প্রজনন ধ্বংসে পৌরসভায় উন্নত মানের একাধিক ফগার মেশিন থাকলেও তা ব্যবহার করা হয় লোক দেখানো। এ কারণে পৌর এলাকায় মশার উপদ্রব দিন দিন বাড়ছে। আর সেই সাথে জনসাধারণের মাঝে বাড়ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক।
নাম প্রকাশ না করার সর্তে পৌরসভার একাধিক নাগরীক জানান, পৌরসভার অধিকাংশ রাস্তাই খানাখন্দে একাকার। ড্রেনেজ ব্যবস্থা তেমন নাই বললেই চলে। যে দু’চারটি আছে তা খুবই নোংরা অবস্থায় পড়ে আছে। তাছাড়া বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে বাসাবাড়ির ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখায় মশা উৎপাদনের কারখানাসহ দূর্গন্ধে চলা যায়না। এমনকি এসব ময়লার কারণে দিনে বা রাতে মশার কামড়ে বাসাবাড়িতে বাস করা দূষ্কর হয়ে উঠেছে। এমনকি ডেঙ্গু আতঙ্কে রয়েছেন পৌরবাসি।
ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো: হাসানুল হোসেন জানান, ভালুকায় গত সপ্তাহে ৭ জনের শরীরে ডেঙ্গু সনাক্ত হয়েছে। তাদেরকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসহ যথাযথ পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সারাদেশেই ডেঙ্গুর প্রার্দূভাব মারাত্মকভাবে দেখা দিলেও ভালুকায় ওই হিসেবে অনেকটাই ভালো।
ভালুকা পৌর মেয়র ডা. একেএম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ূম বলেন, মশা নিধনে ইতোমধ্যেই মাইকিং করে দু’টি ফগার মেশিন দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় স্প্রে করা হয়েছে। তাছাড়া ড্রেনগুলোও পরিস্কার করা হচ্ছে।

প্রকাশক ও সম্পাদক

আসাদুজ্জামান (ফজলু)

হাউজ নং: ২০, ফ্ল্যাট নং: বি২, রোড নং: ০৭

সেকশন: ১২, উত্তরা, ঢাকা – ১২৩০

মোবাইল: ০১৭১৮-১৯২৬৮৫, ০১৭৬১-৫৮২৩৩৮

ইমেইল: contact@digontabarta.com