প্রকাশিত হয়েছেঃ জুলাই ১৬, ২০২৩ সময়ঃ ৪:৩৫ অপরাহ্ণ

Spread the love

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বনকূয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির ভাতিজা ধর্মীয় শিক্ষক নূর হোসেন কর্তৃক শ্রেণী কক্ষে ছাত্রীদের অশালীন ভাষায় উত্যক্ত করাসহ মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তরিঘরি করে কমিটির সভাপতির উদ্যোগে ১৬ জুলাই রোববার স্কুল ম্যানেজিং কমিটি বিদ্যালয়ে এক সাজানোশালিশের আয়োজন করেন।

শালিশে বনকূয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের ছাত্রী অভিভাবক সুরুজ মিয়া জানান, ষষ্ঠ শ্রেণী পড়য়াতার মেয়েকেসহ (১২) অন্যান্য ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক পাশের সোয়াইল গ্রামেরআরজ আলী খার ছেলে নূর হোসেন শ্রেণী কক্ষে পাঠদানের সময় প্রায়ই বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব অশালিন ভাষায় উত্যক্ত করে থাকেন। গত ১৪ জুলাই ক্লাস চলাকালে তার মেয়েকে উত্যক্তকরে এমনকি ওই শিক্ষকের সাথে গেলে মেয়েকে এক লাখ টাকা দেয়ার প্রস্তাব করেন। ঘটনাটিঅন্যান্য অভিভাবকদের অবহিত করেন এবং বিষয়টি মৌখিকভাবে স্কুল কমিটির সভাপতিআনিছুর রহমান তালুকদারকে জানান। পরে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তরিঘরি করে কমিটিরসভাপতির উদ্যোগে ১৬ জুলাই রোববার স্কুল ম্যানেজিং কমিটি বিদ্যালয়ে এক সাজানোশালিশের আয়োজন করেন। সময় উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মাসুমা সুলতানাশালিশে উপিস্থত হন। সময় তিনি অভিভাবক ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সাথে নিয়েষষ্ঠ সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীদের সাথে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পান। শালিশে উপস্থিত শতাধিকঅভিভাবক ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ বহিষ্কারের দাবি জানান।

ব্যাপারে অনেকবার চেষ্টা করেও অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লোকমান হেকিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, তারশিক্ষকতার জীবনে এমন ঘটনা শুনেননি বলে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আনিছুর রহমাস তালুকদার জানান, ঘটনা জানার পর তিনিতার ভাতিজা নুর হোসেনকে ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত স্কুলে যেতে নিষেধ করেন। ঘটনার সত্যতাপেলে তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মাসুমা সুলতানা জানান, প্রাথমিক তদন্তে তিনি ঘটনারসত্যতা পেয়েছেন এবং বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মোবাইলে অবহিত করেছেন।অভিযুক্ত শিক্ষক নুর হোসেনকে তাৎক্ষনিক তিনদিনের মধ্যে জবাব দেয়ার জন্য কারণ দর্শাণোরনোটিশ প্রদান করা হয়েছে।

প্রকাশক ও সম্পাদক

আসাদুজ্জামান (ফজলু)

হাউজ নং: ২০, ফ্ল্যাট নং: বি২, রোড নং: ০৭

সেকশন: ১২, উত্তরা, ঢাকা – ১২৩০

মোবাইল: ০১৭১৮-১৯২৬৮৫, ০১৭৬১-৫৮২৩৩৮

ইমেইল: contact@digontabarta.com