প্রকাশিত হয়েছেঃ জুলাই ৬, ২০২৩ সময়ঃ ৭:২১ অপরাহ্ণ

Spread the love

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।।

ময়মনসিংহের ভালুকায় ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে কিশোরী গামের্ন্টকর্মী ধর্ষণ অভিযোগে  আল আমিন (২৭) নামে একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা আটককৃত ব্যক্তি উপজেলার হবিরবাড়ি গ্রামের খন্দকারপাড়ার সাবেক মেম্বার নূরুল ইসলামের ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে হবিরবাড়িবিট অফিসের অদূরে একটি জঙ্গলে। ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদি হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভূক্তভোগি কিশোরী গার্মেন্টকর্মী সুমানগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলাররাজদারপূর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মাবাবাসহ দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ হাবিরবাড়ি এলাকারবাতেন সরকারের বাড়িতে ভাড়ায় থেকে বাদশাহ টেক্সটাইল মিলে চাকরি করেন। বুধবার (জুলাই) দুপুরে ওই কিশোরী তার মামাতো বোন  খালাতো ভাইকে সাথে নিয়ে স্থানীয় একটি বিনোদন কেন্দ্র (পার্কে) ঘুরে বাসায় যাওয়ার পথ ভুলে যান। সময় চার যুবক হবিরবাড়ি গ্রামের আল আমিন (২৭), জিয়াদ (১৮), মাসুম (১৯) ইয়াছিন (১৮) তাদেরগতিরোধ করে এবং কৌশলে রাস্তা দেখিয়ে দেয়ার কথা বলে হবিরবাড়ি বিট অফিসের অদূরেএকটি গভীর বনে নিয়ে যায়। পরে বখাটেরা কিশোরীর মামাতো বোন  খালাতো ভাইকে বেঁধে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ভিকটিমের হাত বেঁধে জোরপূর্বক আল আমীন ধর্ষণকরে। এক পর্যায়ে ভিকটিমের ডাক চিৎকারে স্থানীয় কৃষক মজনু মিয়া অপর একজন এসেভূক্তভোগিকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করে মজনুর বাড়ি নিয়ে যায়। পরে ৯৯৯ ফোন করলেভালুকা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিমসহ তার দুই ভাই বোনকে উদ্ধার করেন।

ভালুকা মডেল থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কিশোরী ভিকটিমকে বৃহস্পতবিার (জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। গ্রেফতারকৃত আল আমীন ধর্ষণের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

প্রকাশক ও সম্পাদক

আসাদুজ্জামান (ফজলু)

হাউজ নং: ২০, ফ্ল্যাট নং: বি২, রোড নং: ০৭

সেকশন: ১২, উত্তরা, ঢাকা – ১২৩০

মোবাইল: ০১৭১৮-১৯২৬৮৫, ০১৭৬১-৫৮২৩৩৮

ইমেইল: contact@digontabarta.com