ষ্টাফ রিপোর্টার।।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বেনজীর আহম্মেদ জুয়েল (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে গফরগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের লোকজনের বিরুদ্ধে।
রবিবার (২৫ জুন) দুপুরে গফরগাঁও সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে দলিল করতে লংগাইর ইউনিয়নের কুকসাইর গ্রামের ব্যবসায়ী জুয়েল আসলে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ব্যবসায়ী জুয়েলের সাথে পাশ্ববর্তী গফরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামছুল আলম খোকন সহ কয়েকজনের সাথে অর্থনৈতিক লেনদেন ছিলো। এরই জেরে জুয়েল জমি বিক্রয় করতেছে খবর পেয়ে চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে এসে জুয়েলকে অটোরিকশায় জোরপূর্বক তুলে নিয়ে হাতিখলা গ্রামে চেয়ারম্যানের বাড়িতে আটক করে রাখে। খবর পেয়ে জুয়েলের স্ত্রী রীপা আক্তার জরুরী সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জুয়েলকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় জুয়েলের স্ত্রী রীপা আক্তার বাদি হয়ে চেয়ারম্যানসহ চিহ্নিত ৬ জন ও অজ্ঞাত ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে গফরগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ব্যবসায়ী জুয়েলের স্ত্রী রীপা আক্তার বলেন, আমার স্বামীকে ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম খোকন ও তাঁর লোকজন সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে মারধর করে জোরপূর্বক অপহরণ করে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। এ সময় তাঁরা আমার স্বামীর টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। আমি জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ আমার স্বামীকে উদ্ধার করে। আমি এঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি করছি।
ব্যবসায়ী জুয়েল বলেন, মিথ্যা অভিযোগ তুলে খোকন চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন আমাকে সাবরেজিষ্ট্রি অফিস থেকে মারধর করে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে তাঁর বাড়িতে আটক করে রাখে। এসময় তাঁর লোকজন আমার সাথে থাকা জমি বিক্রির টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।
গফরগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামছুল আলম খোকন বলেন, জুয়েল ঢালী, সোহাগ ঢালী ও জাহাঙ্গির ঢালীর বিরুদ্ধে এলাকার বহু মানুষের টাকা পাওয়ার অভিযোগ আছে। টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে।
গফরগাঁও থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ বলেন, ব্যবসায়ী জুয়েলকে উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।