
এই প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়ন কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। প্রকল্পের ব্যাপারে জনসচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে গতকাল আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র। পুরো নগরীকে ছয়টি জোনে ভাগ করে ছয়টি স্যুয়ারেজ এবং দুটি ফিকেল স্লাজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট করা হচ্ছে। ছয়টি জোনের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে একটি জোন বাস্তবায়ন করা হবে। এই জোনে রয়েছে কোতোয়ালী, বাটালি হিল, মাঝিরঘাট, মাদারবাড়ী, আগ্রাবাদ, টাইগারপাস, আমবাগান, নয়াবাজার, চৌমুহনী, উত্তর হালিশহর ও হালিশহর আনন্দবাজার এলাকা।
মেয়রের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার একেএম ফজলুল্লাহ বলেন, আপনি নগরপিতা। আপনি যেভাবে বলবেন সেভাবেই কাজ হবে। আমরা শহরটিকে বিশ্বমানের করতে চাচ্ছি। আমরা আপনার সহযোগিতা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করব। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের জন্য রাস্তা খুব বেশি কাটা হবে না। কোনো একটি জায়গায় ছোট পরিসরে রাস্তা কেটে পাইপ ঢুকিয়ে বোরিং করে অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যাব। সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। এটি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করবে না। ২০০ কিলোমিটার পাইপ লাইনের মাঝে আমরা সর্বোচ্চ ১০ কিলোমিটার রাস্তা কাটব। বাকি ১৯০ কিলোমিটার রাস্তা অক্ষত থাকবে। যেখানে রাস্তা কাটা হবে সেখানেও যান চলাচল কিংবা পথচারী চলাচলে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেদিকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।