
চট্টগ্রামে হাসপাতাল নির্মাণে আগ্রহী তুরস্ক। এ হাসপাতাল নির্মাণের জন্য সম্ভাব্য জায়গা হিসেবে দেখানো হয়েছে নগরের চান্দগাঁওয়ের সিটি করপোরেশন আইটি ইনকিউবেশন সেন্টারের পাশে প্রায় ১০ একর জায়গা। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরানসহ সংশ্লিষ্টরা হাসপাতালের সম্ভাব্য জায়গা পরিদর্শন করে গেছেন। হাসপাতাল নির্মাণে জমি বরাদ্দসহ সব রকমের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমি চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজাতে চাই। বর্তমানে অপ্রতুল স্বাস্থ্যসেবা কাঠামোর উন্নতিকরণে আমি নতুন হাসপাতাল গড়তে চাই। তুরস্ক এই হাসপাতাল নির্মাণে অর্থায়ন করতে রাজি হলে আমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন থেকে ভূমি বরাদ্দ দেব এবং সব রকমের সহযোগিতা করব।
তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান বলেন, ‘এই ক্লিনিকটি তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে জনগণকে সেবা দেবে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও সেবাখাতসহ প্রতিটি খাতের উন্নয়নে তুরস্ক পাশে থাকতে চায়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে তুরস্কের বাংলাদেশের অনারারি কনসুলেট জেনারেল সালাহউদ্দিন কাশেম খান বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র যাতে চট্টগ্রামকে তিলোত্তমা নগরীতে পরিণত করতে পারেন, সেজন্য তুরস্কের কাছ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিতে আমি কাজ করছি। ঢাকার তুলনায় চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাত অনেক পিছিয়ে আছে। এই ক্লিনিক চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবার মানবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
এই ক্লিনিকটি ১৯৯৬ সালে তুরস্কের নবম রাষ্ট্রপতি সুলেমান দেমিরেলের স্ত্রী নাজমিয়ে ডেমিরেলের নামে প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে ২০২০ সালে হাসপাতালটি সংস্কার ও আধুনিকায়নে নতুনভাবে কাজ শুরু করে তুরস্ক।
সিটি মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, সংরক্ষিত কাউন্সিলর রুমকি সেনগুপ্ত।
আরও উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের কো-অপারেশন এন্ড কো-অর্ডিনেশন এজেন্সির (টিকা) বাংলাদেশি কো-অর্ডিনেটর সেভকি মার্ট বেরিস, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমাম হোসেন রানা, কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ নুর বানু চৌধুরী, কাপাসগোলা সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রুমা বড়ুয়া, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সিদ্দিক প্রমুখ।