আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
‘বন্ধ্যাত্ব অভিশাপ নয়, শারীরিক জটিলতা। বন্ধ্যাত্বে শিকার শুধু নারীরা নয়, পুরুষও বন্ধ্যাত্বের শিকার হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বর্তমানে প্রতি এক’শ জন দম্পতির মাঝে ৮জন দম্পতি বন্ধ্যাত্বের শিকার হন। তবে, যথপোযুক্ত প্রতিকারের মাধ্যমে বন্ধ্যাত্ব ও ঝঁকিপূর্ন গর্ভ ধারণ অনেকাংশের প্রতিরোধ করা সম্ভব।’ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ভালুকা এবং হাইরিস্ক প্রেগন্যান্সি এন্ড প্রি-ম্যাচুয়ার বার্থ এডভাইস ফাউন্ডেশন’র যৌথ উদ্যোগে শনিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার আশকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তাগণ ওইসব কথা বলেন। হাইরিস্ক প্রেগন্যান্সি এন্ড প্রি-ম্যাচুয়ার বার্থ এডভাইস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তাসনুভা ইসলামের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত থেকে বন্ধ্যাত্ব ও হাইরিস্ক প্রেগন্যান্সি এন্ড প্রি-ম্যাচুয়ার বার্থ বিষয়ে আলোচনা ও উপস্থিত নারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন গাইনী ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ডা. লুৎফিয়া আখ্তার। ডা. অপরাজিতা হোসেন ও তানজুর খানম রুম্পার উপস্থাপনায় ওই অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ পরিচালক কাজী মাহ্ফুজুল করিম, পৌর মেয়র ডা. একেএম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম. উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসিফ আহ্ম্মেদ রাজিব, ডা. শায়লা শারমিন মিমি, ইউপি চেয়ারম্যান শিহাব আমীন খান, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি আনিছুর রহমান রিপন প্রমূখ।