টঙ্গীত সহপাঠীর ছুরিকাঘাত ৭ম শ্রণীর শিক্ষার্থী শঙ্কটাপন্ন

শেয়ার করুন :

গাজীপুর থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক।।
গাজীপুর মহানগরর টঙ্গী পাইলট স্কুল এণ্ড গার্লস কলেজে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত ৭ম শ্রেণীর ছাত্র তাহসানের (১৪) অবস্থা শঙ্কটাপন্ন। ঘটনার রেশ না কাটতেই গত ২৭ জুলাই বুধবার একই স্কুলের ৯ম শ্রণীর ছাত্রের আঘাতে স্কুলের নিরাপত্তা প্রহরী কাবিল কাজী (৫২) আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানায়, গত রাববার বিকেলে স্কুল ছুটি শেষে একটি তুচ্ছ ঘটনার জেরে তাহসানকে ধাওয়া করে কয়েকজন সহপাঠী। তাহসান ভয়ে স্কুল ক্যাম্পাস থেকে দৌড়ে রিকশায় উঠে আত্মরক্ষার চেষ্টা চালায়। সহপাঠীরা রিকশাটিকে ধাওয়া দিয়ে আটক তার ওপর চড়াও হয়। এসময় একজন সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে তাহসান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারী সহপাঠীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। স্ুলটির অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেরনারেল হাসপাতালে নেয়। অবস্থার অবনতিতে সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। বর্তমানে তাকে রাজধানীর উত্তরায় একটি প্রাইভেট হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা রাখা হয়েছে।
চিকিৎসকদের উদ্ধতি দিয়ে তাহসানের বাবা মকবুল হোসেন জানান, ছুরিকাঘাতে তাহসানের পেটে তিন ইঞ্চি গভীর ক্ষত হয়েছে। দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার অস্ত্রাপচারকালে তাহসানের শরীরে দুই ব্যাগ রক্ত দিতে হয়েছে। অপারেশনের পর তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। এখনো শঙ্কামুক্ত নয় বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ঘটনার পর হাসাপাতালে নিতে বিলম্ব হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে পথেই তার মত্যু ঘটতো, মÍন্তব্য করেন মকবুল হোসেন।
এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে টঙ্গী পাইলট স্ুল এণ্ড গার্লস কলেজের অধ্যক্ষ মো. আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, স্ুলর ভেতর এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি। শুনেছি স্ুলর বাইরে বহিরাগত ছাত্রদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। কি কেউ এখনো অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. শাহ আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিলো। কিন্তু সেখানে গিয়ে কোন শিক্ষার্থীকে পাওয়া যায়নি। এব্যাপারে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
এদিকে বুধবার ক্লাশ ফঁাকি দিয়ে স্ুল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় টঙ্গী পাইলট স্ুলের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রের হামলায় স্ুলের নিরাপত্তা প্রহরি কাবিল কাজী আহত হয়েছেন।
কাবিল কাজী জানান, টিফিনের বিরতির সময় স্ুল ভবনের তৃতীয় তলার জানালা দিয়ে নবম শ্রণীর একজন ছাত্র স্ুলব্যাগ নিচে ফেলে দেয়। তিনি এ দৃশ্য দেখে দৌড়ে এগিয়ে গিয়ে ব্যাগটি নিজের হেফাজতে নেন। তৎক্ষনাত ওই ছাত্র স্ুল থেকে বের হয়ে তার হাত থেকে ব্যাগটি ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এতে ওই ছাত্রকে তিনি ঝাপটে ধরেন। এসময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাকে রক্তাক্ত আহত করে ব্যাগ ফেলেই পালিয় যায় ওই ছাত্র।
#


শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *