আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় কিশোরী পোষাককর্মীকে বিয়ের প্রলোভনে কৌশলে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণের পর ভয় দেখিয়ে টাকা দাবির ঘটনায় উজ্জল (২৩) ও বাচ্চু (৩০) নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২৪ শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করেছে মডেল থানা পুলিশ।
ভিকটিমের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ভালুকা উপজেলার সিডষ্টোর এলকায় অবস্থিত পাইওনিয়ার সুয়েটার ফ্যাক্টরীর শ্রমিক পাশের ত্রিশাল উপজেলার পলাশতলী গ্রামের খোকন মিয়ার কিশোরী কন্যার (১৫) সাথে ওই ফ্যাক্টরীকে কর্মরত একই উপজেলার অলহরী দূর্গাপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে উজ্জল মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এই সুবাদে ২২ জুন রাতে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে উজ্জল মিয়া ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে ভালুকা উপজেলার পানিভান্ডা গ্রামের আবু হানিফের বাড়িতে নিয়ে যায়। পরদিন ওই কিশোরীকে উজ্জল তার সঙ্গী পানিভান্ডা গ্রামের জৈনাতলীর হোসেন আলীর ছেলে আহম্মদ আলী ও একই গ্রামের নতুন বাজার এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে বাচ্চু মিয়ার সহযোগীতায় বাড়ির কাছে একটি মাছের খামারের ঘরে নিয়ে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং ধষণের ভিডিও ধারণ করে। এ সময় কিশোরীর ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বড় বোন বাদি হয়ে তিনজনকে আসামী করে ২৪ জুন ভালুকা মডেল থানায় মামলা (নম্বর-৪৯) দায়ের করলে পুলিশ উজ্জল ও বাচ্চুকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে।
মামলার বাদি ওই কিশোরীর বড় বোন মুন্নি আক্তার জানান, অভিযুক্ত উজ্জল, বাচ্চু ও আহম্মদ তার বোনকে ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে তা প্রকাশ প্রকাশের হুমকী দিয়ে তাদের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। নিরুপায় হয়ে তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।
ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সজীব রহমান জানান, অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং অপর আসামীকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। ধর্ষণ সংক্রান্তে ভিকটিমকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও জবানবন্ধী রেকর্ডের কাজ প্রক্রিয়াধিন।