রফিকুল ইসলাম খান, গফরগাঁও প্রতিনিধি।।
ধর্ষণের ভিডিও দেখিয়ে আবারো ব্ল্যাকমেইল করে মাদ্রাসা পড়ুয়া ১১ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে আল আমিন (৩৭) নামের এক মুদি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর গ্রামের নয়াপাড়া এলাকায় ঘটে।
অভিযুক্ত ধর্ষক মুদি ব্যবসায়ী আল আমিন একই এলাকার মোঃ তাইজ উদ্দিনের ছেলে।
এদিকে শুক্রবার (১৯ জুন) বিকালে ভুক্তভোগী শিশুর মা হালিমা খাতুন বাদি হয়ে আল আমিনকে অভিযুক্ত করে গফরগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি এই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান।
ভুক্তভোগী পরিবার ও থানায় অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় রসুলপুর দারুন নাজাত মাদানী ক্যাডেট মাদ্রাসায় ৫ ম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর বিকাল ৫টায় দিকে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির পাশে অভিযুক্ত আল আমিনের মনোহারি দোকানে ১০০ টাকার নোট ভাঙাতে যায়। এ সময় মজা বিস্কুট খাবারের প্রলোভনে একটি পরিত্যক্ত ইবতেদায়ী মাদ্রাসার টিনশেড ঘরে নিয়ে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং তা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে আল আমিন। ধর্ষণ শেষে এ ঘটনা কাউকে কিছু না বলা জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে ছেড়ে দেয়।
এরপর শিশু শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সময় অভিযুক্ত ধর্ষক আল আমিন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিত এবং তার কাছে আসতে বলতো।
এমতাবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুর দেড়টায় মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে আল আমিন রাস্তার পথরোধ করে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে টানা হেচরা করে। এসময় ডাক চিৎকারে আল আমিনের হাত থেকে ছুটে ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী দৌড়ে বাড়ি ফিরে তার মা সহ পরিবারে লোকজনের কাছে বিষয়টি জানায়।
এ ঘটনার বিষয়ে গফরগাঁও থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসামি গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
####