আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া গ্রামে মেয়েকে দেখতে গিয়ে খুনের শিকার হয়ে এলাকায় ফিরলেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের আবদুল মড়লের ছেলে মো. হাফিজ উদ্দিন কেরাইল্যা (৬৮)। ভালুকা মডেল থানা পুলিশ সোমবার (২৫ মে) বেলা ১২টার দিকে হাফিজ উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করে আনে। ওই ঘটনায় স্থানীয়রা নাজমূল নামে একজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাফিজ উদ্দিন গতকাল সোমবার (২৫ মে) সকালে লিচু কিনে সাবেক স্ত্রীর কাছে থাকা তার মেয়েকে শ্রীপুরের কেওয়া গ্রামে যায়। এদিকে, পাশের গফরগাঁও উপজেলার নারয়নপুর গ্রামের আবুলের ছেলে নাজমূল আজ সোমবার বেলা ১২টার দিকে অটোতে করে হাফিজ উদ্দিনের রক্তাক্ত লাশ নিয়ে মাহমুদপুর গ্রামে সুতিয়া নদীর পুলেরঘাটে আসে। ওই সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে, থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে আনে। লাশের মাথায় রক্তাক্ত আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, হাফিজ উদ্দিন কেলাইল্যা জুয়া ও মাদকে আসক্ত ছিলেন। তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন। তার এক স্ত্রী নাজমা তাকে ডিভোর্স দিয়ে পাশের উপজেলার বেলাব গ্রামের একজনকে বিয়ে করে শ্রীপুরের কেওয়া গ্রামে বসবাস করছেন।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া গ্রামে মেয়েকে দেখতে গিয়ে খুনের শিকার হয়ে এলাকায় ফিরলেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের আবদুল মড়লের ছেলে মো. হাফিজ উদ্দিন কেরাইল্যা (৬৮)। ভালুকা মডেল থানা পুলিশ সোমবার (২৫ মে) বেলা ১২টার দিকে হাফিজ উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করে আনে। ওই ঘটনায় স্থানীয়রা নাজমূল নামে একজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাফিজ উদ্দিন গতকাল সোমবার (২৫ মে) সকালে লিচু কিনে সাবেক স্ত্রীর কাছে থাকা তার মেয়েকে শ্রীপুরের কেওয়া গ্রামে যায়। এদিকে, পাশের গফরগাঁও উপজেলার নারয়নপুর গ্রামের আবুলের ছেলে নাজমূল আজ সোমবার বেলা ১২টার দিকে অটোতে করে হাফিজ উদ্দিনের রক্তাক্ত লাশ নিয়ে মাহমুদপুর গ্রামে সুতিয়া নদীর পুলেরঘাটে আসে। ওই সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে, থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে আনে। লাশের মাথায় রক্তাক্ত আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, হাফিজ উদ্দিন কেলাইল্যা জুয়া ও মাদকে আসক্ত ছিলেন। তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন। তার এক স্ত্রী নাজমা তাকে ডিভোর্স দিয়ে পাশের উপজেলার বেলাব গ্রামের একজনকে বিয়ে করে শ্রীপুরের কেওয়া গ্রামে বসবাস করছেন।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।