প্রকাশিত হয়েছেঃ জানুয়ারি ২৯, ২০২৬ সময়ঃ ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ
আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমসহ ২১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৯’শ জনের নামে দু’টি মামলা হয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার (২৬ ও ২৭ জানুয়ারী) রাতে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমীন মাসুদ ও রফিক উদ্দিন রফিক বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় হত্যা চেষ্টা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মামলা দু’টি (নম্বর-৩১ ও ৩২) করেন।
মামলা সুত্রে জানা যায়, নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পদ থেকে সদ্য বহিস্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমের (হরিণ) কর্মী সমর্থকদের মাঝে হামলা পাল্টা হামলার অভিযোগ উঠে। গত রোববার (২৫ জানুয়ারী) পৌর সদর, কানার মার্কেট, বাটাজোর বাজার ও হবিরবাড়ি এলাকায় কয়েকদফা মারামারির ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় মোর্শেদ আলমের কর্মী সমর্থকেরা উপজেলা বিএনপি অফিস ও আশপাশের দোকান পাট ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মিল্টনের অফিসে হামলা করে। তাছাড়া উপজেলার ১০ নম্বর হবিরবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালায় ও বেশে কয়েকজনকে আহত করা হয়। পরে এসব ঘটনায় উপজেলা সদরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে এবং কয়েকদফা হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ওইসব হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ জন নেতা কর্মী আহত হন। ওই ঘটনায় ধানের শীষ প্রার্থীর পক্ষে থেকে দু’টি অভিযোগ ভালুকা মডেল থানায় দায়ের করা হলে, সোমবার ও মঙ্গলবার (২৬ ও ২৭ জানুয়ারী) রাতে দায়েরকৃত অভিযোগ দু’টি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। একটি মামলায় ১৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৪০০ আসামী এবং অপরটিতে ৮৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৫০০ নেতা কর্মীকে আসামী করা হয়েছে।
ভালুকা মডেল থানা অফিসর ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম জানান, নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় দু’টি মামলা রুজু হয়েছে। তবে ওই সব মামলায় কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি।

