প্রকাশিত হয়েছেঃ আগস্ট ২৫, ২০২৫ সময়ঃ ৮:৫০ অপরাহ্ণ
আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের একপাশ থেকে ভাসমান ও অবৈধ দোকানপাট আংশিক উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগ। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় মহাসড়কের পাশের শতাধিক দোকানের আংশিক গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, “ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়ক। এ মহাসড়কে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করে। সড়কের দু’পাশে দোকানপাট থাকায় দীর্ঘদিন ধরে যানজট ও জনদুর্ভোগ লেগেই থাকতো। এ সমস্যার সমাধানেই তাদের এই উচ্ছেদ অভিযান। এ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলবে।”
স্থানীয়রা জানান, প্রতিবারই লোক দেখানো অর্ধেক দোকানপাট উচ্ছেদ করে চলে যাওয়া হয়। আজও তাই করা হয়েছে। এমনকি মহাসড়কের পূর্বপাশে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে আসেননি। ফলে দু’চারদিনের মধ্যে আবারো পূর্বের ন্যায় দোকানপাট বসিয়ে দেয় পিছনের মার্কেটের মালিকরা। এখানে প্রতিটি দোকান থেকে মার্কেট মালিকরা ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানত নিয়ে থাকেন এবং প্রতি মাসে দোকনগুলো থেকে মোটা অঙ্কের ভাড়া আদায় করে থাকেন। স্থানীয়রা আরো জানান, উচ্ছেদ অভিযানের মাইকিং করা হলেই দোকানগুলোকে রক্ষা করতে মার্কেট মালিকরা দোকানপ্রতি ২ হাজার করে টাকা নিয়ে থাকেন। ওই টাকা নিয়ে কি করেন তা কেউ বলতে পারেন না।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের ময়মনসিংহ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোফাখখারুল ইসলাম তুহিন বলেন, “এই মহাসড়কের বাজারসংলগ্ন অংশগুলোতে নিয়মিতভাবে যানজট সৃষ্টি হয়। যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় থাকে সেজন্য নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ সময় সেনাবাহিনী, ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহের ভালুকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের একপাশ থেকে ভাসমান ও অবৈধ দোকানপাট আংশিক উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগ। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় মহাসড়কের পাশের শতাধিক দোকানের আংশিক গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, “ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়ক। এ মহাসড়কে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করে। সড়কের দু’পাশে দোকানপাট থাকায় দীর্ঘদিন ধরে যানজট ও জনদুর্ভোগ লেগেই থাকতো। এ সমস্যার সমাধানেই তাদের এই উচ্ছেদ অভিযান। এ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলবে।”
স্থানীয়রা জানান, প্রতিবারই লোক দেখানো অর্ধেক দোকানপাট উচ্ছেদ করে চলে যাওয়া হয়। আজও তাই করা হয়েছে। এমনকি মহাসড়কের পূর্বপাশে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে আসেননি। ফলে দু’চারদিনের মধ্যে আবারো পূর্বের ন্যায় দোকানপাট বসিয়ে দেয় পিছনের মার্কেটের মালিকরা। এখানে প্রতিটি দোকান থেকে মার্কেট মালিকরা ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানত নিয়ে থাকেন এবং প্রতি মাসে দোকনগুলো থেকে মোটা অঙ্কের ভাড়া আদায় করে থাকেন। স্থানীয়রা আরো জানান, উচ্ছেদ অভিযানের মাইকিং করা হলেই দোকানগুলোকে রক্ষা করতে মার্কেট মালিকরা দোকানপ্রতি ২ হাজার করে টাকা নিয়ে থাকেন। ওই টাকা নিয়ে কি করেন তা কেউ বলতে পারেন না।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের ময়মনসিংহ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোফাখখারুল ইসলাম তুহিন বলেন, “এই মহাসড়কের বাজারসংলগ্ন অংশগুলোতে নিয়মিতভাবে যানজট সৃষ্টি হয়। যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় থাকে সেজন্য নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ সময় সেনাবাহিনী, ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মোট পড়া হয়েছে: ৩২