ভালুকা (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় এক গার্মেন্টকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় ভালুকা মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে উপজেলা মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের আখালিয়া গ্রামের আবদুর রহিম পাঠানের ছেলে শামীম (২০), একই গ্রামের আইনাজুলের ছেলে সাব্বির (২০) ও তাইজুলের ছেলে শরিফকে (২২) আসামী করা হয়েছে। নির্যাতিতার বাবা বাদি হয়ে গতকাল মঙ্গলবার (০৪ ফেব্রæয়ারী) অভিযোগটি করেন।
অভিযোগ ও থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আখালিয়া গ্রামের এক গার্মেন্টকর্মী গত শনিবার (০১ ফেব্রæয়ারী) ঘটনারদিন রাত সাড়ে ৭টার দিকে পাশের বাড়ি থেকে টিভি দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময় পথে উঁৎ পেতে থাকা শামীম, সাব্বির ও শরীফ ওই গার্মেন্টকর্মীকে মুখ বেঁধে পাশের জনৈক আব্দুর রশিদের নির্জন ভিটায় তুলে নিয়ে যায় এবং অপর দুই জনের সহায়তায় শামীম তাকে ধর্ষণ করে। পরে টের পেয়ে ওই গার্মেন্টকর্মীর বাবা, ভাই ও বোন ঘটনাস্থলে গেলে আসামীরা তাদেরকেও মারধর করে পালিয়ে যায়। পরে, ভালুকা মডেল থানা পুলিশের সহায়তায় নির্যাতিতা ওই গার্মেন্টকর্মী ও তার বোন ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে গিয়ে ভর্তি হন।
নির্যাতিতার ভাই অটোচালক বলেন, ঘটনার রাতে বোনকে বাড়িতে না পেয়ে তারা তাকে খুঁজতে থাকেন। পরে, তার চিৎকারের শব্দ শোনে বাবাসহ অপর এক বোনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে বখাটেরা তাদেরকেও মারধর করে।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামছুল হুদা খান জানান, ওই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। আসামী গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় এক গার্মেন্টকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় ভালুকা মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে উপজেলা মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের আখালিয়া গ্রামের আবদুর রহিম পাঠানের ছেলে শামীম (২০), একই গ্রামের আইনাজুলের ছেলে সাব্বির (২০) ও তাইজুলের ছেলে শরিফকে (২২) আসামী করা হয়েছে। নির্যাতিতার বাবা বাদি হয়ে গতকাল মঙ্গলবার (০৪ ফেব্রæয়ারী) অভিযোগটি করেন।
অভিযোগ ও থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আখালিয়া গ্রামের এক গার্মেন্টকর্মী গত শনিবার (০১ ফেব্রæয়ারী) ঘটনারদিন রাত সাড়ে ৭টার দিকে পাশের বাড়ি থেকে টিভি দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময় পথে উঁৎ পেতে থাকা শামীম, সাব্বির ও শরীফ ওই গার্মেন্টকর্মীকে মুখ বেঁধে পাশের জনৈক আব্দুর রশিদের নির্জন ভিটায় তুলে নিয়ে যায় এবং অপর দুই জনের সহায়তায় শামীম তাকে ধর্ষণ করে। পরে টের পেয়ে ওই গার্মেন্টকর্মীর বাবা, ভাই ও বোন ঘটনাস্থলে গেলে আসামীরা তাদেরকেও মারধর করে পালিয়ে যায়। পরে, ভালুকা মডেল থানা পুলিশের সহায়তায় নির্যাতিতা ওই গার্মেন্টকর্মী ও তার বোন ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে গিয়ে ভর্তি হন।
নির্যাতিতার ভাই অটোচালক বলেন, ঘটনার রাতে বোনকে বাড়িতে না পেয়ে তারা তাকে খুঁজতে থাকেন। পরে, তার চিৎকারের শব্দ শোনে বাবাসহ অপর এক বোনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে বখাটেরা তাদেরকেও মারধর করে।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামছুল হুদা খান জানান, ওই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। আসামী গ্রেফতারে অভিযান চলছে।