আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় নিখোঁজের তিন দিন পর একটি মৎস্য খামার থেকে রেদুয়ান নামে আট বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রেদুয়ান উপজেলা ধীতপুর ইউনিয়নের বহুলী গ্রামের আশরাফুল আলমের ছেলে। ভালুকা মডেল থানা পুলিশ গত রোববার (২২ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের নিশিন্দা গ্রাম থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে আনে।
পরিবার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা ধীতপুর ইউনিয়নের বহুলী গ্রামের আশরাফুল আলম স্ত্রী ও শিশু সন্তান রেদুয়ানাকে নিয়ে গত মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে শ্বশুর বাড়ি পাশের নিশিন্দা গ্রামে বেড়াতে যান। এদিকে, শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টার দিকে আশরাফুল আলমের ছেলে রেদুয়ান নিখোঁজ হয়। এরপর রেদুয়ানের সন্ধান পেতে তারা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁিজ এবং পরপরই দুই দিন মাইকিং করেন। এদিকে, রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ১১.৫৫ মিনিটে রেদুয়ানের জেঠা আনিস মিয়ার নম্বরে ফোন দিয়ে রোদুয়ানের মুক্তিপণ বাবদ প্রথমে ৫০ ও পরে ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। একই দিন বিকেল সোয়া চারটার দিকে রেদুয়ানের মা শাহিদা আক্তার নিশিন্দা তার বাবার বাড়ির পাশে জনৈক রফিকুল ইসলামের মাছের খামারে ছেলের লাশ ভাসতে দেখে। পরে, খামার থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ রোববার রাতে লাশ থানায় নিয়ে আসে এবং ময়নাতদন্তের জন্যে গতকাল সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
আশরাফুল আলম জানান, তার প্রতিবন্ধী ছেলে নিখুঁজের পর অপরিচিত ব্যক্তি গত রোববার তার বড়ভাই আনিস মিয়ার নম্বরে ফোন দিয়ে প্রথম ৫০ ও পরে ৪০ হাজার টাকা দাবি করে। এমনকি ছেলের লাশ উদ্ধারের পরও তারা টাকা দাবি করছিলো।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো শামছুল হুদা খান জানান, শিশুর লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ফোনে টাকা চাওয়ার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় নিখোঁজের তিন দিন পর একটি মৎস্য খামার থেকে রেদুয়ান নামে আট বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রেদুয়ান উপজেলা ধীতপুর ইউনিয়নের বহুলী গ্রামের আশরাফুল আলমের ছেলে। ভালুকা মডেল থানা পুলিশ গত রোববার (২২ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের নিশিন্দা গ্রাম থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে আনে।
পরিবার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা ধীতপুর ইউনিয়নের বহুলী গ্রামের আশরাফুল আলম স্ত্রী ও শিশু সন্তান রেদুয়ানাকে নিয়ে গত মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে শ্বশুর বাড়ি পাশের নিশিন্দা গ্রামে বেড়াতে যান। এদিকে, শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টার দিকে আশরাফুল আলমের ছেলে রেদুয়ান নিখোঁজ হয়। এরপর রেদুয়ানের সন্ধান পেতে তারা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁিজ এবং পরপরই দুই দিন মাইকিং করেন। এদিকে, রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ১১.৫৫ মিনিটে রেদুয়ানের জেঠা আনিস মিয়ার নম্বরে ফোন দিয়ে রোদুয়ানের মুক্তিপণ বাবদ প্রথমে ৫০ ও পরে ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। একই দিন বিকেল সোয়া চারটার দিকে রেদুয়ানের মা শাহিদা আক্তার নিশিন্দা তার বাবার বাড়ির পাশে জনৈক রফিকুল ইসলামের মাছের খামারে ছেলের লাশ ভাসতে দেখে। পরে, খামার থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ রোববার রাতে লাশ থানায় নিয়ে আসে এবং ময়নাতদন্তের জন্যে গতকাল সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
আশরাফুল আলম জানান, তার প্রতিবন্ধী ছেলে নিখুঁজের পর অপরিচিত ব্যক্তি গত রোববার তার বড়ভাই আনিস মিয়ার নম্বরে ফোন দিয়ে প্রথম ৫০ ও পরে ৪০ হাজার টাকা দাবি করে। এমনকি ছেলের লাশ উদ্ধারের পরও তারা টাকা দাবি করছিলো।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো শামছুল হুদা খান জানান, শিশুর লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ফোনে টাকা চাওয়ার বিষয়ে তদন্ত চলছে।