আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি গরুর জন্য মেয়ে শরিফা আক্তার, মেয়ে জামাই সোহেল ও নাতি রুদ্রের হাতে শফিকুল ইসলাম (৫৫) নামে এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে সাতটায় পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাঁঠালী এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় মডেল থানায় মামলা হওয়ার পর পুলিশ মৃতের মেয়েসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে শফিকুল ইসলামের বাসা থেকে মেয়ে শরিফা (৩৫), স্বামী সোহেল (৪০) ও ছেলে রুদ্র (১৫) জোর পূর্বক গরু নিয়ে যাওয়ার সময় শফিকুল ইসলাম তাদের বাঁধা দেন। এতে তার মেয়ে শরিফা আক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাবা শফিকুল ইসলামকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এ সময় শরিফার স্বামী এবং ছেলেও মাথা, কপাল, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করলে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। এ সময় আশপাশের লোকজন শফিকুল ইসলামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ময়মনসিংহ মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১ টার সময় কতর্ব্যরত চিকিৎসক শফিকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সামছুল হুদা খান জানান, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় মৃতের বোন জোত¯œা আক্তার বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং অভিযুক্ত শরিফা আক্তার, স্বামী সোহেল ও ছেলে রুদ্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি গরুর জন্য মেয়ে শরিফা আক্তার, মেয়ে জামাই সোহেল ও নাতি রুদ্রের হাতে শফিকুল ইসলাম (৫৫) নামে এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে সাতটায় পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাঁঠালী এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় মডেল থানায় মামলা হওয়ার পর পুলিশ মৃতের মেয়েসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে শফিকুল ইসলামের বাসা থেকে মেয়ে শরিফা (৩৫), স্বামী সোহেল (৪০) ও ছেলে রুদ্র (১৫) জোর পূর্বক গরু নিয়ে যাওয়ার সময় শফিকুল ইসলাম তাদের বাঁধা দেন। এতে তার মেয়ে শরিফা আক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাবা শফিকুল ইসলামকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এ সময় শরিফার স্বামী এবং ছেলেও মাথা, কপাল, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করলে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। এ সময় আশপাশের লোকজন শফিকুল ইসলামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ময়মনসিংহ মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১ টার সময় কতর্ব্যরত চিকিৎসক শফিকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সামছুল হুদা খান জানান, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় মৃতের বোন জোত¯œা আক্তার বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং অভিযুক্ত শরিফা আক্তার, স্বামী সোহেল ও ছেলে রুদ্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে।