বুধবার ময়মনসিংহে কোতোয়ালি থানায় সংবাদ সম্মেলন করে চক্রটির বিস্তারিত তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন।
টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, চক্রটি ২০১৪ সাল থেকে সড়ক-মহাসড়কে তৎপর। গত ৪ নভেম্বর ভোরে ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ মোড়ে পুলিশের চেক পোস্টে চিৎকার শুনে গাড়ির ভেতর থেকে ৩ জনকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় মফিজকে আটক করা হয়। অপহরণের শিকার অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য রফিক পুলিশ দেখে চিৎকার দেওয়ায় চক্রটির সদস্য ধরা পড়ে। এ সময় আল আমিন ও বুলবুল নামে আরও দু’জনকে উদ্ধার করে পুলিশ। তারা মাইক্রোবাসটির চালক ও সহকারী। তবে চক্রের বাকি সদস্যরা পালিয়ে যায়।
গত ৩ নভেম্বর সিরাজগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর যাওয়ার কথা বলে মাইক্রোবাসটি ভাড়া করা হয় বলে জানিয়েছেন চালক আল আমিন। কিন্তু এক কিলোমিটার দূরে যেতেই অস্ত্র দেখিয়ে তার হাত, পা ও মুখ বেঁধে গাড়ির পেছনের সিটে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর রাস্তা থেকে যাত্রীদের তুলে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে রাস্তায় ফেলে যেতে থাকে চক্রটির সদস্যরা।
এ ঘটনায় মাইক্রোবাসের চালক বাদী হয়ে ৩ নভেম্বর থানায় মামলা করেন। এ মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন বলেন, চক্রটির সঙ্গে আরও যারা জড়িত তাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। রাতে যাত্রী পরিবহনের নামে অপহরণ করে ছিনতাই করত ওই চক্রটি। দীর্ঘদিন ধরেই এ কাজ করছিল তারা। এ কারণে রাতে এসব ছোট যানবাহনে চলাচল না করে বাসে চলাচল করার পরামর্শ দেন তিনি।