ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি-
ময়মনসিংহের ভালুকায় রাতের আধাঁরে গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে দুই ব্যক্তির আটটি গরু চুরি করে নিয়ে গেছে একটি সঙ্ঘবদ্ধ চোরেরদল। ঘটনা দু’টি ঘটেছে বুধবার (২৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার চামিয়াদী ও ভরাডোবা গ্রামে। খবর পেয়ে মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন। এসব ঘটনায় মডেল থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চামিয়াদী বাজারের উত্তর পাশে আবুল কালাম ওরফে কালু মিয়া প্রতিদিনকার মতো বুধবার বিকেলে বছুরসহ একটি গাই গরু, দুইটি ষাড় ও একটি বকনা গরু গোয়াল ঘরে রেখে তালা লাগিয়ে ঘুমাতে যান। শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে দেখেন একটি সঙ্ঘবদ্ধ চোরেরদল গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে সবগুলো গরু চুরি করে নিয়ে গেছে।
গরুর মালিক কালু মিয়ার স্ত্রী সাবিনা আক্তার জানান, ওই গরুগুলোই ছিলো তাদের একমাত্র সম্বল। তার স্বামী কামলা দিয়ে সংসার ও গরুগুলোর জন্য খাবার কিনে এনে লালন পালন করে আসছিলেন। গাই গরুটি তিন হলো বাচ্চা দিয়েছে। গরুগুলো চুরি হওয়ায় তারা প্রায় নি:স্ব হয়ে গেছেন। তাদের গরুগুলোর মূল্য বর্তমান বাজারে প্রায় ১০ লাখ টাকা হবে।
একই রাতে ভরাডোবা নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার সামার বাড়ি থেকে সফিকুল ইসলামের একটি ষাড় ও দু’টি গাভী গরু নিয়ে গেছে। একটি গাভীর পেটে বাচ্চা রয়েছে। মালিকের ছেলে রেদুয়ান আহমেদ জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন গোয়াল ঘওে রাখা তাদের তিনটি গরুই চরি হয়ে গেছে। গরুগুলোর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় আড়াই লাখ টাকা হবে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে তিনি বলেন।
ভালুকা মডেল থানার এসআই নজরুল ইসলাম জানান, গরু চুরির ঘটনায় অভিযোগ দায়ের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করা হয়েছে। গরু উদ্ধারসহ জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় রাতের আধাঁরে গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে দুই ব্যক্তির আটটি গরু চুরি করে নিয়ে গেছে একটি সঙ্ঘবদ্ধ চোরেরদল। ঘটনা দু’টি ঘটেছে বুধবার (২৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার চামিয়াদী ও ভরাডোবা গ্রামে। খবর পেয়ে মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন। এসব ঘটনায় মডেল থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চামিয়াদী বাজারের উত্তর পাশে আবুল কালাম ওরফে কালু মিয়া প্রতিদিনকার মতো বুধবার বিকেলে বছুরসহ একটি গাই গরু, দুইটি ষাড় ও একটি বকনা গরু গোয়াল ঘরে রেখে তালা লাগিয়ে ঘুমাতে যান। শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে দেখেন একটি সঙ্ঘবদ্ধ চোরেরদল গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে সবগুলো গরু চুরি করে নিয়ে গেছে।
গরুর মালিক কালু মিয়ার স্ত্রী সাবিনা আক্তার জানান, ওই গরুগুলোই ছিলো তাদের একমাত্র সম্বল। তার স্বামী কামলা দিয়ে সংসার ও গরুগুলোর জন্য খাবার কিনে এনে লালন পালন করে আসছিলেন। গাই গরুটি তিন হলো বাচ্চা দিয়েছে। গরুগুলো চুরি হওয়ায় তারা প্রায় নি:স্ব হয়ে গেছেন। তাদের গরুগুলোর মূল্য বর্তমান বাজারে প্রায় ১০ লাখ টাকা হবে।
একই রাতে ভরাডোবা নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার সামার বাড়ি থেকে সফিকুল ইসলামের একটি ষাড় ও দু’টি গাভী গরু নিয়ে গেছে। একটি গাভীর পেটে বাচ্চা রয়েছে। মালিকের ছেলে রেদুয়ান আহমেদ জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন গোয়াল ঘওে রাখা তাদের তিনটি গরুই চরি হয়ে গেছে। গরুগুলোর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় আড়াই লাখ টাকা হবে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে তিনি বলেন।
ভালুকা মডেল থানার এসআই নজরুল ইসলাম জানান, গরু চুরির ঘটনায় অভিযোগ দায়ের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করা হয়েছে। গরু উদ্ধারসহ জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।