প্রকাশিত হয়েছেঃ সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৩ সময়ঃ ২:১৯ অপরাহ্ণ
আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিহের ভালুকা পৌরএলাকা ও উপজেলার শিল্পাঞ্চল হবিরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে অবৈধ তিতাস গ্যাস সংযোগ। এসব অবৈধ কাজের সাথে তিতাস গ্যাসের কতিপয় অসাধূ ব্যক্তি ও ঠিকাদার জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগে উঠেছে। তিতাস কর্তৃপক্ষ লোক দেখানো দু’একটা অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেই তাদের দায়িত্ব শেষ করলেও গত আগস্ট মাস পর্যন্ত ওই অফিসের আওতায় গ্যাসের বকেয়া ছিলো ৩৬ কোটি টাকা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১৫ সালের পর থেকে আবাসিকভাবে তিতাস গ্যাসের সংযোগ দেয়া বন্ধ রয়েছে। ওই সময় থেকে চলতি ২০২৩ সাল পর্যন্ত পৌরএলাকাসহ উপজেলার শিল্পাঞ্চল হবিরবাড়ি, কাশর, মাষ্টারবাড়ি, জামিরদিয়া, সিডষ্টোর বাজার ও শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ও গড়গড়িয়া মাষ্টারবাড়ি এবং আশপাশে কয়েক হাজার বাসাবাড়ি ও বহুতল ভবণ নির্মাণ হয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তাদের ছত্রছায়ায় তিতাস গ্যাসের এক শ্রেণীর অসাধূ ব্যক্তি ও ঠিকাদারদের যোগসাজশে এসব ভবনগুলোতে প্রতিনিয়তই নেয়া হচ্ছে অবৈধ সংযোগ। আর এ সব অবৈধ সংযোগস্থলে রাখা হচ্ছে এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার। অভিযোগ রয়েছে, ওইসব অবৈধ সংযোগকারীদের কাছ থকে তিতাস গ্যাসের অসাধূ কতিপয় ব্যক্তি প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার হাবিরবাড়ি এলাকার সিডষ্টোর বাজার, কাশর, জামিরদিয়া, মাষ্টারবাড়িতে মাটি খুঁড়লেই পাওয়া যাচ্ছে অবৈধ গ্যাস সংযোগ। কোথাও দুই ইঞ্চি আবার কোথাও চার ইঞ্চির সারি সারি পাইপ। নতুন ভবন নির্মাণেও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। প্রায় প্রতি বাড়িতেই অবৈধভাবে ব্যবহার হচ্ছে তিতাস গ্যাস। গত এক দশক ধরে সরকার সারাদেশে আবাসিক গ্যাস সংযোগ প্রদান বন্ধ রাখলেও ভালুকা উপজেলার পৌরসভা ও হবিরবাড়ি এলাকায় রয়েছে শত শত অবৈধ সংযোগ। তাছাড়া বাসা বাড়ি বিক্রি হওয়ার পর মালিকানা পরিবর্তন না করেই এমনকি এক রাইজার থেকে পাশের বাসায় অবৈধ সংযোগ দিয়ে মাসোহারা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড মুন্সীভিটায় জনৈক ফারুক মিয়ার রাইজারে তার বোন আঞ্জুমান আরা পাশের বাসায় সংযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবহার করার পর, সম্প্রতি বোনের বাসাটি সবুজ মিয়া নামে এক মালদ্বীপ প্রবাসীর কাছে বিক্রি করে দেন। কিন্তু ওই প্রবাসী অবৈধভাবে ফারুক মিয়ার রাইজারে গ্যাস ব্যবহার করছেন।
গত বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ভালুকার একটি দল উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের সিডস্টোর বাজার এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে যায় এবং ৭টি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। ওই সময় স্থানীয় ৩০-৪০ জন লোক দেশীয় আস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ টিমের উপর হামলা করে। এসময় প্রকৌশলী শফিউল মাওলা ও সহকারী হিসাব কর্মকর্তা মো. রিপন মল্লিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় ভালুকা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড ভালুকা আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান আলী জানান, ভালুকা অফিসের আওতায় আবাসিক সংযোগ রয়েছে, ৮ হাজার ৩টি, বাণিজ্যিক ৪০ টি, শিল্প ৮৪ টি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী ১০৫ টি। তার মাঝে আবাসিকে বকেয়া রয়েছে ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা, বাণিজ্যিক দুই কোটি ৫০ লাখ, শিল্পে ১০ কোটি ও ফ্যাক্টরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী জেনারেটর (ক্যাপটিভ) ১৮ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। অবৈধ সংযোগের বিষয়টি স্বীকার করে ওই কর্মকর্তা বলেন, ইতোমধ্যে অবৈধ সংযোগ প্রদানকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া অবৈধ সংযোগগুলো পর্যায়ক্রমে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরো জানান, উপজেলার সিডষ্টোর বাজার এলাকায় অবৈধ সংযোগক বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলায় তাদের লোকজন আহত হওয়ার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

ময়মনসিহের ভালুকা পৌরএলাকা ও উপজেলার শিল্পাঞ্চল হবিরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে অবৈধ তিতাস গ্যাস সংযোগ। এসব অবৈধ কাজের সাথে তিতাস গ্যাসের কতিপয় অসাধূ ব্যক্তি ও ঠিকাদার জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগে উঠেছে। তিতাস কর্তৃপক্ষ লোক দেখানো দু’একটা অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেই তাদের দায়িত্ব শেষ করলেও গত আগস্ট মাস পর্যন্ত ওই অফিসের আওতায় গ্যাসের বকেয়া ছিলো ৩৬ কোটি টাকা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১৫ সালের পর থেকে আবাসিকভাবে তিতাস গ্যাসের সংযোগ দেয়া বন্ধ রয়েছে। ওই সময় থেকে চলতি ২০২৩ সাল পর্যন্ত পৌরএলাকাসহ উপজেলার শিল্পাঞ্চল হবিরবাড়ি, কাশর, মাষ্টারবাড়ি, জামিরদিয়া, সিডষ্টোর বাজার ও শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ও গড়গড়িয়া মাষ্টারবাড়ি এবং আশপাশে কয়েক হাজার বাসাবাড়ি ও বহুতল ভবণ নির্মাণ হয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তাদের ছত্রছায়ায় তিতাস গ্যাসের এক শ্রেণীর অসাধূ ব্যক্তি ও ঠিকাদারদের যোগসাজশে এসব ভবনগুলোতে প্রতিনিয়তই নেয়া হচ্ছে অবৈধ সংযোগ। আর এ সব অবৈধ সংযোগস্থলে রাখা হচ্ছে এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার। অভিযোগ রয়েছে, ওইসব অবৈধ সংযোগকারীদের কাছ থকে তিতাস গ্যাসের অসাধূ কতিপয় ব্যক্তি প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার হাবিরবাড়ি এলাকার সিডষ্টোর বাজার, কাশর, জামিরদিয়া, মাষ্টারবাড়িতে মাটি খুঁড়লেই পাওয়া যাচ্ছে অবৈধ গ্যাস সংযোগ। কোথাও দুই ইঞ্চি আবার কোথাও চার ইঞ্চির সারি সারি পাইপ। নতুন ভবন নির্মাণেও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। প্রায় প্রতি বাড়িতেই অবৈধভাবে ব্যবহার হচ্ছে তিতাস গ্যাস। গত এক দশক ধরে সরকার সারাদেশে আবাসিক গ্যাস সংযোগ প্রদান বন্ধ রাখলেও ভালুকা উপজেলার পৌরসভা ও হবিরবাড়ি এলাকায় রয়েছে শত শত অবৈধ সংযোগ। তাছাড়া বাসা বাড়ি বিক্রি হওয়ার পর মালিকানা পরিবর্তন না করেই এমনকি এক রাইজার থেকে পাশের বাসায় অবৈধ সংযোগ দিয়ে মাসোহারা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড মুন্সীভিটায় জনৈক ফারুক মিয়ার রাইজারে তার বোন আঞ্জুমান আরা পাশের বাসায় সংযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবহার করার পর, সম্প্রতি বোনের বাসাটি সবুজ মিয়া নামে এক মালদ্বীপ প্রবাসীর কাছে বিক্রি করে দেন। কিন্তু ওই প্রবাসী অবৈধভাবে ফারুক মিয়ার রাইজারে গ্যাস ব্যবহার করছেন।
গত বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ভালুকার একটি দল উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের সিডস্টোর বাজার এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে যায় এবং ৭টি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। ওই সময় স্থানীয় ৩০-৪০ জন লোক দেশীয় আস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ টিমের উপর হামলা করে। এসময় প্রকৌশলী শফিউল মাওলা ও সহকারী হিসাব কর্মকর্তা মো. রিপন মল্লিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় ভালুকা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড ভালুকা আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান আলী জানান, ভালুকা অফিসের আওতায় আবাসিক সংযোগ রয়েছে, ৮ হাজার ৩টি, বাণিজ্যিক ৪০ টি, শিল্প ৮৪ টি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী ১০৫ টি। তার মাঝে আবাসিকে বকেয়া রয়েছে ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা, বাণিজ্যিক দুই কোটি ৫০ লাখ, শিল্পে ১০ কোটি ও ফ্যাক্টরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী জেনারেটর (ক্যাপটিভ) ১৮ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। অবৈধ সংযোগের বিষয়টি স্বীকার করে ওই কর্মকর্তা বলেন, ইতোমধ্যে অবৈধ সংযোগ প্রদানকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া অবৈধ সংযোগগুলো পর্যায়ক্রমে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরো জানান, উপজেলার সিডষ্টোর বাজার এলাকায় অবৈধ সংযোগক বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলায় তাদের লোকজন আহত হওয়ার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
মোট পড়া হয়েছে: ৮৭৫
সর্বশেষ খবর
- ময়মনসিংহে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
- “এবারের নির্বাচন হবে সন্ত্রাস,গুন্ডামী ও লুটতরাজের বিরুদ্ধে”..আল্লামা মামুনুল হক
- শেরপুর-৩ আসনের জামায়তে প্রার্থীর মৃত্যু
- ভালুকায় এনসিপি প্রার্থীর ১২ দফা ইশতেহার ঘোষণা
- ঈশ্বরগঞ্জে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

