আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় বনবিজ্ঞপ্তিত বিভিন্ন চালা থেকে রাতের আঁধারে কয়েক’শ গজারী গাছ চুরি করে নিয়ে গেছে সঙ্ঘবদ্ধ কাঠ পাঁচারকারীদল। আর ভেকু দিয়ে ভূমির শ্রেণী পরিবর্তণ করে ওইসব চালা কেটে নিয়ে কতিপয় ব্যক্তি মাটি বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। স্থানীয় বনবিভাগের রহস্যজনক নিরবতায় রাতের আঁধারে এসব গাছ চুরি ও মাটি কেটে নেয়ায় জীব বৈচিত্র ও প্রাকৃতিক পরিবেশ হুমকীর সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।
সরেজমিন খোঁজ নিয়ে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি বনবিট অফিসের অদূরে দুখালা ব্রীজের দক্ষিণে দীঘাল্যার চালা এলাকায় বনবিজ্ঞপ্তিত বিভিন্ন উচু টিলা থেকে রাতের আঁধারে ২৫/৩০ বছর বয়সি গজারী গাছ কেটে নেয়া হচ্ছে। আর ওইসব চালা থেকে ভেকু মেশিনে মাটি কেটে নিয়ে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এলাকার কতিপয় ভেকু মালিক। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে হবিরবাড়ি বিট অফিসের অদূরে মনোহরপুর বন এলাকায় গিয়ে দিগাইল্লার চালায় দেখা যায়, গজারী গাছ কেটে বনের ভিতর দিয়ে মাটিবাহী গাড়ি চলাচলের রাস্তা তৈরী করা হয়েছে। বনের ভিতর দেখা যায়, অসংখ্য সদ্য কাটা বিশাল আকারের গজারী গাছের গুঁড়ি। চালার উত্তরাংশের মাথায় ভেকু মেশিনে গজারী বনের মাটি কেটে নেয়া হয়েছে। অভিনব কায়দায় গজারী গাছ কেটে গুড়ালি কাঁচা পাতা ও ডাল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। চালার মাটি কেটে নামা জমির সাথে মিশিয়ে জমির শ্রেণী পরিবর্তণ করে বন হতে বিচ্ছিন্ন দেখানো মাটি ব্যবসায়ীদের আরও একটি কৌশল বলে অনেকে মনে করেন। দিনের পর দিন বন এলাকা হতে মাটি কেটে নিয়ে বিভিন্ন মিল ফ্যাক্টরী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জলাশয় ভরাট করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মাটি ব্যবসায়ী চক্র। ভূমির শ্রেণী পরিবর্তণে সরিকারীভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও স্থানীয় বিনবিভাগের লোকজনদের রহস্যজনক নিরবতায় তারা অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে গেলেও কোন সমস্যা হচ্ছেনা। দু’একটি মামলা দিয়েই যেনো সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্ব শেষ বলে তারা মনে করছেন।
নাম প্রকাশ না করার সর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বনবিভাগের অসাধূ ব্যাক্তিদের সাথে যোগসাজশ করেই হবিরবাড়ি এলাকায় প্রকাশ্যে বন মনির, মাটি আলম, নূরুল ইসলামসহ ১০/১৫ জন মাটি ব্যবসায়ী এসব অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের একেক জনের একাধিক নিজস্ব ভেকু মেশিন ও অসংখ্য মাটিবাহি ড্রাম ট্রাক রয়েছে। তাছাড়া উপজেলার মল্লিকবাড়ি, মেহেরাবাড়ি, বাঁশিল, পাড়াগাঁও, কাদিগড়, কাচিনা, ডাকাতিয়া, উথুরা ও মেদুয়ারীসহ বিভিন্ন এলাকায় বনবিজ্ঞপ্তিত উচু টিলা থেকে গজারী গাছ কেটে নিয়ে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে নিয়ে তা বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছেন একটি সঙাঘবদ্ধ মাটি ব্যবসায়ী। আর দিন রাত এসব ড্রাম ট্রাকে মাটি বহনের ফলে রাস্তা ঘাট ভেঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ ধূলোবালিতে এলাকার পরিবেশ হুমকিতে আছে।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ভালুকা আঞ্চলিক শাখার সদস্য সচিব কামরুল হাসান পাঠান কামাল জানান, তিনি উপজেলা মাসিক আইন শৃংখলা সভায় বনভূমি জবর দখল ও বনের গাছ কেটে পরিবেশ নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান।
ভালুকা রেঞ্জের দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: রইচ উদ্দিন জানান, বিভিন্ন চালায় বিচ্ছিন্ন গাছ কাটার ঘটনা রয়েছে। এমনকি মাটি কাটার ব্যাপারে অভিযুক্ত ভেকু মালিকদের বাঁধা দেয়াসহ তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় বনবিজ্ঞপ্তিত বিভিন্ন চালা থেকে রাতের আঁধারে কয়েক’শ গজারী গাছ চুরি করে নিয়ে গেছে সঙ্ঘবদ্ধ কাঠ পাঁচারকারীদল। আর ভেকু দিয়ে ভূমির শ্রেণী পরিবর্তণ করে ওইসব চালা কেটে নিয়ে কতিপয় ব্যক্তি মাটি বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। স্থানীয় বনবিভাগের রহস্যজনক নিরবতায় রাতের আঁধারে এসব গাছ চুরি ও মাটি কেটে নেয়ায় জীব বৈচিত্র ও প্রাকৃতিক পরিবেশ হুমকীর সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।
সরেজমিন খোঁজ নিয়ে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি বনবিট অফিসের অদূরে দুখালা ব্রীজের দক্ষিণে দীঘাল্যার চালা এলাকায় বনবিজ্ঞপ্তিত বিভিন্ন উচু টিলা থেকে রাতের আঁধারে ২৫/৩০ বছর বয়সি গজারী গাছ কেটে নেয়া হচ্ছে। আর ওইসব চালা থেকে ভেকু মেশিনে মাটি কেটে নিয়ে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এলাকার কতিপয় ভেকু মালিক। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে হবিরবাড়ি বিট অফিসের অদূরে মনোহরপুর বন এলাকায় গিয়ে দিগাইল্লার চালায় দেখা যায়, গজারী গাছ কেটে বনের ভিতর দিয়ে মাটিবাহী গাড়ি চলাচলের রাস্তা তৈরী করা হয়েছে। বনের ভিতর দেখা যায়, অসংখ্য সদ্য কাটা বিশাল আকারের গজারী গাছের গুঁড়ি। চালার উত্তরাংশের মাথায় ভেকু মেশিনে গজারী বনের মাটি কেটে নেয়া হয়েছে। অভিনব কায়দায় গজারী গাছ কেটে গুড়ালি কাঁচা পাতা ও ডাল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। চালার মাটি কেটে নামা জমির সাথে মিশিয়ে জমির শ্রেণী পরিবর্তণ করে বন হতে বিচ্ছিন্ন দেখানো মাটি ব্যবসায়ীদের আরও একটি কৌশল বলে অনেকে মনে করেন। দিনের পর দিন বন এলাকা হতে মাটি কেটে নিয়ে বিভিন্ন মিল ফ্যাক্টরী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জলাশয় ভরাট করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মাটি ব্যবসায়ী চক্র। ভূমির শ্রেণী পরিবর্তণে সরিকারীভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও স্থানীয় বিনবিভাগের লোকজনদের রহস্যজনক নিরবতায় তারা অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে গেলেও কোন সমস্যা হচ্ছেনা। দু’একটি মামলা দিয়েই যেনো সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্ব শেষ বলে তারা মনে করছেন।
নাম প্রকাশ না করার সর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বনবিভাগের অসাধূ ব্যাক্তিদের সাথে যোগসাজশ করেই হবিরবাড়ি এলাকায় প্রকাশ্যে বন মনির, মাটি আলম, নূরুল ইসলামসহ ১০/১৫ জন মাটি ব্যবসায়ী এসব অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের একেক জনের একাধিক নিজস্ব ভেকু মেশিন ও অসংখ্য মাটিবাহি ড্রাম ট্রাক রয়েছে। তাছাড়া উপজেলার মল্লিকবাড়ি, মেহেরাবাড়ি, বাঁশিল, পাড়াগাঁও, কাদিগড়, কাচিনা, ডাকাতিয়া, উথুরা ও মেদুয়ারীসহ বিভিন্ন এলাকায় বনবিজ্ঞপ্তিত উচু টিলা থেকে গজারী গাছ কেটে নিয়ে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে নিয়ে তা বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছেন একটি সঙাঘবদ্ধ মাটি ব্যবসায়ী। আর দিন রাত এসব ড্রাম ট্রাকে মাটি বহনের ফলে রাস্তা ঘাট ভেঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষতিসাধনসহ ধূলোবালিতে এলাকার পরিবেশ হুমকিতে আছে।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ভালুকা আঞ্চলিক শাখার সদস্য সচিব কামরুল হাসান পাঠান কামাল জানান, তিনি উপজেলা মাসিক আইন শৃংখলা সভায় বনভূমি জবর দখল ও বনের গাছ কেটে পরিবেশ নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান।
ভালুকা রেঞ্জের দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: রইচ উদ্দিন জানান, বিভিন্ন চালায় বিচ্ছিন্ন গাছ কাটার ঘটনা রয়েছে। এমনকি মাটি কাটার ব্যাপারে অভিযুক্ত ভেকু মালিকদের বাঁধা দেয়াসহ তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।