গাজীপুর থেকে নিজস্ব প্রতিবেতক।। 
টঙ্গীতে অস্ত্রসহ জনতার হাতে ধৃত সন্ত্রাসী সুমন স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার নাম প্রকাশ করায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ওই যুবলীগ নেতাকেও গ্রেফতারের দাবী উঠেছে। ইতিমধ্যে ওই সন্ত্রাসীকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। অস্ত্রের উৎস্যসহ সহযোগীদের ব্যাপারে তথ্য জানতে সন্ত্রাসী সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী অফিসার টঙ্গী পশ্চিম থানার এসআই উৎপল কুমার সাহা বলেন, গণপিটুনীতে আহত সন্ত্রাসী সুমনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেল-হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে। রিমান্ডের আবেদন শুনানীর অপেক্ষায় আছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে অস্ত্রের উৎস্য বা যোগানদাতাসহ সহযোগী সন্ত্রাসীদের তথ্য উদঘাটন করা হবে। অস্ত্রসহ আটকের সময় জনসম্মুখে যার নাম প্রকাশ করেছে তদন্তে এর সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বিকেলে টঙ্গীর সাতাইশ রাজনগর খালে গোসল করাকে কেন্দ্র দুই দল কিশোরের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ ঘটনায় প্রকাশ্য জনসম্মুখে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে প্রতিপক্ষকে গুলি করতে উদ্যত হলে স্থানীয় জনতা অস্ত্রসহ সুমন সরকার নামের ওই সন্ত্রাসীকে আটক করে। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। গণপিটুনির সময় সে স্থানীয় সাতাইশ এলাকার কথিত যুবলীগ নেতা জালাল মাহমুদ টুটুল (লটারি টুটুল) এর লোক বলে দাবী করে।