স্টাফ রিপোর্টার, দিগন্তবার্তা, ২৩ মে সোমবার।।
দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় ১৪ মে “ভালুকায় শতাধিক করাতকলে সংরক্ষিত বনের গাছ উজাড়” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। অবৈধ করাতকল বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর নিজেদের অপকর্ম ঢাকার জন্য ও দূষ থেকে নিস্কৃতি পেতে মিথ্যে ও হাস্যকর প্রতিবাদ করেছেন একটি অনলাইন নিউজপোর্টালে স্থানীয় বনবিভাগ। ভালুকা রেঞ্জের কাদিগড় বিট অফিসার ফিরোজ আল মামুন নিজের ব্যর্থতা ডাকতে ১৫ মে রোববার একটি অনলাইন পত্রিকায় ওই প্রতিবাদটি প্রকাশ করান। প্রতিবাদলিপিতে তিনি সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে নিজের দুষ ঢাকতে অপচেষ্টা করেন।
স্থানীয় লোকজন জানান, বর্তমান বিট অফিসার ফিরোজ আল মামুন এই বিটে যোগদানের পর থেকে শতাধিক অবৈধ করাতকল বন্ধ করা তো দুরের কথা বিভিন্ন স্থানে আরো একাধিক অবৈধ করাতকল বসানো হয়েছে। যদি তিনি অনৈতিক সুবিধা না নিয়ে থাকেন, তবে তার নাকের ঢগায় কি করে অবৈধ করাতকল চলতে পারে এবং দিনদুপুরে সংরক্ষিত বনের শাল গজারী ও আকাশমনিসহ বিভিন্ন প্রজাতীয় বিশাল বিশাল গাছ চেরাই করতে পারে। কি করে প্রকাশ্যে প্রায় অর্ধশতাধিক ফার্ণিচারের দোকানে গজারী গাছের খাট, চৌকিসহ বিভিন্ন ফার্ণিচার তৈরী হচ্ছে। তাছাড়া ওই বিটের বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালীরা কোটি কোটি টাকার বনভূমি দখলে নিয়ে ড্রাগন, পেয়ারা ও লেবুসহ বিভিন্ন বাগান করতে পারছেন। এমনকি একের পর এক বাসাবাড়ি নির্মাণ হলেও ওই কর্মকর্তা যেনো দেখেও না দেখার বান করছেন। এলাকাবাসি এই অসাধূ বন কর্মকর্তার প্রত্যাহার দাবি জানান।