ভালুকায় রাস্তার মেরামত কাজে অনিয়মের অভিযোগ

শেয়ার করুন :

স্টাফ রিপোর্টার দিগন্তবার্তা ডটকম।।
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোড়লবাড়ি মোড় থেকে এক্সিলেন্স সিরামিক্স পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মিটার কার্পেটিং সড়কে নানা কারণে সৃষ্ট বড় বড় গর্তগুলো এইচবিবি দ্বারা মেরামতকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। টিআর প্রকল্পের আওতায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা বরাদ্দের সড়কটি মেরামত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, শিল্প এলাকা হিসেবে খ্যাত উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে পাড়াগাঁও মোড়লবাড়ি মোড় থেকে চটানপাড়া সড়কটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ন। প্রতিদিন ওই সড়ক হয়ে বিভিন্ন কারখানার হাজারো শ্রমিক ও নানা শ্রেণিপেশার মানুষ এবং বিভিন্ন কারখানার মালবাহি ভারী যানবাহন চলাচল করে। অনেকদিন সংস্কার না হওয়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের আওতায় কাপেটিং করা ওই সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে অনেকটাই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পরে। ফলে, সড়কটির মোড়লবাড়ি মোড় থেকে এক্সিলেন্স সিরামিক্স পর্যন্ত ৩০০ মিটার টিআর প্রকল্পের আওতায় এইচবিবি দ্বারা মেরামতের জন্যে সাড়ে ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই মেরামত কাজের প্রাক্কলনে প্রথমে ভালো মানের ইটের সলিং এবং তার উপরের এইচবিবি দ্বারা সড়কের গর্তগুলো মেরামত করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না। সলিং না করেই শুধু এইচবিবি দ্বারা গর্তগুলো মেরামত করা হচ্ছে। তাদের ধারণা, সড়কটি দিয়ে প্রচুর ভারী যানবাহন চলাচল করে। কাজেই, সলিং ছাড়া শুধু এইচবিবি করাতে ভারী যানবাহনের চাপে মেরামত করা গর্তগুলো স্বল্প সময়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে। এতে সরকারের সাড়ে চার লাখ টাকাই গচ্ছা যাবে।
এইচবিবিকারণ কাজের মিস্ত্রী নুরুল ইসলাম জানান, তাকে সলিং ছাড়াই এইচবিবি করতে বলা হয়েছে। তাই, তিনি সলিং ছাড়াই এইচবিবি করছেন।
প্রকল্প সভাপতি ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান জানান, ‘তিনি ওই প্রকল্পের সভাপতি না। তাকে শুধু লেবার সরবরাহ করতে বলা হয়েছে। তাই তিনি লেবার সরবরাহ করেছেন। কে ওই প্রকল্পের সভাপতি তা তার জানা নেই।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মহিদুল আলম জানান, সাড়ে চাল লাখ টাকায় ওই কার্পেটিং সড়কের গর্তগুলো ডবল লেয়ারে মেরমত করার কথা। হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মো. খলিলুর রহমান প্রকল্প কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছেন। সিঙ্গেল লেয়ারের মেরামত করার বিষয়টি তার জানা নেই। কাজটি গত ৩০ শে জুন শেষ হওয়ার কথা ছিলো। ইতোমধ্যে কাজের অর্ধেক বিল পরিশোধ করা হয়েছে। কাজ শেষে প্রাক্কলন অনুযায়ী যাচাই করে চুড়ান্ত বিল প্রদান করা হবে।


শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করা যাবে না!!