জাহাঙ্গীর আলম,হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ)।।
পানিনিস্কাশনের কোন স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় সামন্য বৃষ্টিতেই পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। কাদাযুক্ত পানি মাড়িযে যাতায়াত করতে হচ্ছে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার হাজিপুর বাজার টু গোবিন্দপুর সড়ক দিয়ে । যে সড়কে অল্প বৃষ্টিতেই পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন পথচারীসহ যানবাহনের চালকেরা। জানাযায়, গুরুত্বপূর্ণ ওই ২০০ ফুট রাস্তার পানিনিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ১ ঘন্টার বৃষ্টিতে পানি জমে গিয়ে তৈরি হয় ও কাঁদাযুক্ত পানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হয় লোকজন ও যানবাহনকে। রাস্তাটি বাস্তবয়নের সময়েই ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের পট পরিবর্তনের ফলে কাজ ফেলে ঠিকাদার উধাও হওয়ায় পাকা রাস্তা থাকার পরেও বৃষ্টি পানি নিচে নামার কোন ব্যবস্থা না থাকায় এমন সংকট তৈরি হয়। রাস্তাটি দিয়ে হাজিপুর বাজার থেকে গোবিন্দপুর চলাচলের করে দৈনিক শত শত পথচারী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কে পাশে কাঁদাযুক্ত বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে। সড়কের দুই পাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কাঁদাযুক্ত বৃষ্টির পানি মাড়িয়ে লোকজন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চলাচল করতে দেখা যায়।
কথা হয় অটোচালক আল আমিনের সাথে। তিনি জানান,রাস্তাটি তে একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলে এ রকম সমস্যা হতো না, আমি প্রশাসনের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এখন এ সড়কের কাজ চলমান তারা যেন একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা করে দেন।
পথচারী হক মিয়া জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই পাঁকা সড়কে পানি জমে থাকে, একদিন বৃষ্টি হলে সারা মাস পানি জমে কাদাঁ লেগে থাকে। তাই চলাচলে কষ্ট হয়। পানির মধ্য দিয়ে যানবাহন চলাচলের সময় পানি ছিটে লোকজনের শরীরে যাচ্ছে। সড়কের দুই পাশে স্থাপনা থাকায় পানিনিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে বৃষ্টি হলেই বাজারের রাস্তার বেশির ভাগ পানি সড়কে জমে থাকে। এ পানি শুকাতে কয়েক দিন সময় লাগে।ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের চালক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, হাজিপুর বাজার থেকে গোবিন্দপুর যাওয়ার সড়কে শুধু বাজারের ২০০ফুট রাস্তায় এ সমস্যা। একটু বৃষ্টি হলেই এ জায়গায় কাদাঁ পানি জমে পঁচা দুর্গ্ধ হয় । এক দিনের মধ্যে পানি আর কাঁদায় একাকার হয়ে যায়। পানি জমে থাকার কারণে এ জায়গায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ জায়গার পানি নেমে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিলেই আর পানি জমে থাকতো না।
বাজারের ব্যবসায়ী রঞ্জু মিয়া বলেন, এ রাস্তাটির পানি এসে মার্কেটের জায়গায় জমা হয়। পানি বের হওয়ার কোনো পথ নেই। সড়কের দুই পাশে উঁচু দোকানপাট। দুই পাশ থেকে মাটি জমে কাদার সৃষ্টি হয়েছে। পানি জমে থাকায় ক্রেতাও আসতে চান না। এ জায়গায় যদি পানি জমে না থাকত, তাহলে আমাদের ব্যবসাও ভালো হতো। প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করছি।
উপজেলার জিনারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাহারুল ইসলাম রহিদ বলেন, বাজারের ওই সড়ক থেকে দ্রুত পানি নেমে যাওয়ার জন্য একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জানানো হবে এবং চলমান কাজের সাথে একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী নাহিদ ইভা জানান, বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করছি খুব শিঘ্রই জনগণ সুফল পাবেন।