আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা খোকা মিয়া ও তার ছেলে যুবদলকর্মী তোফায়েল আহাম্মেদ রানার মাঝে মারামারিসহ গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় খোকা মিয়াসহ কমপক্ষে ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মাঝে দুইজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গতকাল রোবাবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া নারিশ কারখানা এলাকায় ওই মারামারির ওই ঘটনাটি ঘটে। এ সময় এক পক্ষের একটি অফিস ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ঝুট ব্যবসাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উপজেলার হাবিরবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া গ্রামের নারিশ কারখানা এলাকার মৃত আলম মিয়ার ছেলে উপজেলা বিএনপি সদস্য খোকা মিয়া এবং তার ছেলে যুবদলকর্মী তোফায়েল আহাম্মেদ রানার মাঝে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এনিয়ে একাধিকবার সামাজিক সালিস বৈঠক হলেও বিষয়টি সুরাহা হয়নি। এদিকে, পিতা খোকা মিয়ার বাঁধার কারণে বাড়ির সামনে নিজের অফিসে বসতে পারছিলেন না ছেলে তোফায়েল আহাম্মেদ রানা। ঘটনার দিন গতকাল রোবাবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে পিতা ও ছেলের মাঝে কথা কাটাকাটির ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই রাউন্ড গুলিবর্ষনের ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাথিক ব্যক্তি জানান, খোকা মিয়ার সাথে ছেলে রানার বিরোধ অনেকদিনের। বেশ কয়েকবার পিতা ও ছেলে মাঝে মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। গতকাল তাদের মাঝে মারামারি ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই রাউন্ড গুলিবর্ষণের শব্দও তারা শুনেছেন বলে জানান। এসময় একটি অফিস ভাঙচুর করা হয়।
আহত খোকা মিয়া স্থানীয় সাংবাদকর্মীদের জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তার ছেলে তোফায়েল আহাম্মেদ রানার সাথে ব্যবসাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ঘটনার সময় তার ছেলেই তাকে দুই রাউন্ড গুলি করেছে।
এ ব্যাপারে তোফায়েল আহাম্মেদ রানার মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. মিনারা আক্তার জানান, ‘রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরের দিকে খোকা মিয়া (৫২) এবং খোকন (৪২) নামে দুইজন রোগি আহত অবস্থায় ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে এসেছিলেন। তাদের মাঝে আহত খোকা মিয়া দাবি ছিলো, তিনি গুলিতে আহত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম গুলিবর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে এক রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা খোকা মিয়া ও তার ছেলে যুবদলকর্মী তোফায়েল আহাম্মেদ রানার মাঝে মারামারিসহ গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় খোকা মিয়াসহ কমপক্ষে ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মাঝে দুইজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গতকাল রোবাবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া নারিশ কারখানা এলাকায় ওই মারামারির ওই ঘটনাটি ঘটে। এ সময় এক পক্ষের একটি অফিস ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ঝুট ব্যবসাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উপজেলার হাবিরবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া গ্রামের নারিশ কারখানা এলাকার মৃত আলম মিয়ার ছেলে উপজেলা বিএনপি সদস্য খোকা মিয়া এবং তার ছেলে যুবদলকর্মী তোফায়েল আহাম্মেদ রানার মাঝে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এনিয়ে একাধিকবার সামাজিক সালিস বৈঠক হলেও বিষয়টি সুরাহা হয়নি। এদিকে, পিতা খোকা মিয়ার বাঁধার কারণে বাড়ির সামনে নিজের অফিসে বসতে পারছিলেন না ছেলে তোফায়েল আহাম্মেদ রানা। ঘটনার দিন গতকাল রোবাবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে পিতা ও ছেলের মাঝে কথা কাটাকাটির ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই রাউন্ড গুলিবর্ষনের ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাথিক ব্যক্তি জানান, খোকা মিয়ার সাথে ছেলে রানার বিরোধ অনেকদিনের। বেশ কয়েকবার পিতা ও ছেলে মাঝে মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। গতকাল তাদের মাঝে মারামারি ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই রাউন্ড গুলিবর্ষণের শব্দও তারা শুনেছেন বলে জানান। এসময় একটি অফিস ভাঙচুর করা হয়।
আহত খোকা মিয়া স্থানীয় সাংবাদকর্মীদের জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তার ছেলে তোফায়েল আহাম্মেদ রানার সাথে ব্যবসাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ঘটনার সময় তার ছেলেই তাকে দুই রাউন্ড গুলি করেছে।
এ ব্যাপারে তোফায়েল আহাম্মেদ রানার মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. মিনারা আক্তার জানান, ‘রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরের দিকে খোকা মিয়া (৫২) এবং খোকন (৪২) নামে দুইজন রোগি আহত অবস্থায় ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে এসেছিলেন। তাদের মাঝে আহত খোকা মিয়া দাবি ছিলো, তিনি গুলিতে আহত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম গুলিবর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে এক রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে।