স্টাফ রিপোর্টার।।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে এবং কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের (KGF) অর্থায়নে “গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের জার্মপ্লাজম মূল্যায়ন, বীজ উৎপাদন এবং সংরক্ষণকাল বৃদ্ধি” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় কৃষক প্রশিক্ষণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব খামারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. জি. এম. মজিবর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর(অব:) ড. এম.এ রহিম, প্রফেসর ড. মাসুম আহমাদ, প্রফেসর ড. মো: আমির হোসেন ও প্রজেক্টের কো-পিআই ড. মো: ওয়ালিউল্লাহ্।
বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (BAURES) পরিচালক প্রফেসর ড. এম. হাম্মাদুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের প্রধান গবেষক (PI) এবং উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. মো. হারুন আর রশিদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, “দেশের পেঁয়াজের চাহিদা মেটাতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের চারা প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারলে পেঁয়াজ আমদানির ওপর নির্ভরতা অনেকাংশে কমে আসবে।” তিনি উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থী কৃষক-কৃষাণীদের এই প্রশিক্ষণের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে যথাযথভাবে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন যে আমাদের সকলেরই যার যার অবস্থান থেকে দেশের জন্য কাজ করতে হবে। তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং অংশগ্রহণকারী কৃষকদের পারফর্ম্যান্সের ভিত্তিতে পুরস্কার প্রদানের পরামর্শ প্রদান করেন।
প্রশিক্ষণ শেষে উপস্থিত কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের চারা বিতরণ করা হয়। উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ ও কেজিএফ-এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, গবেষক এবং স্থানীয় পর্যায়ের ৩০জন কৃষক এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।