প্রকাশিত হয়েছেঃ ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ সময়ঃ ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
স্টাফ রিপোর্টার, দিগন্তবার্তা ডটকম।।
ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনের ১১ দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেছেন, আমরা নির্বাচিত হলেও মানুষের কাছে যাবো নির্বাচিত না হলেও যাবো। মানুষের চাহিদা অনেক, মানুষের চাহিদার আলোকে মানুষের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার চেষ্টা করবো। ইতিমধ্যে আমরা আমাদের প্রচারণা প্রায় শতভাগ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর কৃষ্ণচূড়া চত্ত্বরে ১১ দলীয় জোটের সর্বশেষ নির্বাচনী গণমিছিলের পূর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
কামরুল আহসান এমরুল আরো বলেন, আমাদের ময়মনসিংহ সদরের সবচেয়ে বড় সমস্যা জানযট। আমরা যদি জয়ী হতে পারি তাহলে নগরীর যানজট নিরসনে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। নগরীর যানজট নিরসনে বিভিন্ন স্থানে আন্ডারপাস এবং ওভারপাস নির্মাণ করবো সেই সাথে বহ্মপুত্র নদের পার ঘেষে শক্তিশালী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে রাস্তা তৈরী করে দিবো এতে করে নগরীর যানজট অনেকাংশে কমে আসবে। রাস্তা দখলমুক্ত করতে হবে এবং রাস্তা বাড়াতে হবে।
ভোটাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের কথা দীর্ঘ ৫৪ বছরের যে বন্দোবস্ত ছিলো আমরা সেসব বন্দোবস্ত থেকে বেরিয়ে আসতে চাই। ৫৪ বছরের যে বন্দোবস্ত মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারে নাই তাদের আর জনগণ চায় না। সকল দলের শাসনই মানুষ দেখেছে এইবার তারা নতুন কিছু দেখতে চায়।
ভোটারদের আমরা বলতে চাই যে, আপনাদের ভোট আপনারা বিক্রি করবেন না। ভোট বিক্রি করলে গোলাম হয়ে যেতে হবে। আমাদের এইবারের আন্দোলন হচ্ছে আজাদীর আন্দোলন। আমরা গোলাম হয়ে থাকতে চাইনা আমরা আজাদী হতে চাই।
আজাদীর পক্ষে যারা আছে তারা আমাদের বেছে নিবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
ব্যাপক নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বর থেকে একটি বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল নগরীর গাঙ্গিনারপাড়, নতুন বাজার, টাউনহল জুলাই চত্ত্বর মোড়, জিরো পয়েন্ট, বাউন্ডারী রোড হয়ে চরপাড়া মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
নির্বাচনী গণমিছিলে উপিস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক ও ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুল করিম, সেক্রেটারি মাওলানা মোজাম্মেল হক আকন্দ, মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ কায়সার, সহকারী সেক্রেটারি আনোয়ার হাসান সুজন, মাহবুবুল হাসান শামীম, শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য হায়দার করিম, আব্দুল আজিজ, আবু হানিফ খন্দকার, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বারী সহ বিভিন্ন সাংগঠনিক থানা শাখার আমীর ও নেতা-কর্মীবৃন্দ।

