ভালুকায় বসতঘর থেকে গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

শেয়ার করুন :

আসাদুজ্জামান ভালুকা (ময়মনসিংহ)।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় নিজ বসতঘর থেকে রাহিমা আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের গাংগাটিয়া মধ্যপাড়া এলাকা থেকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। হত্যাকান্ডের শিকার রাহিমা আক্তার ওই এলাকার বিল্লাল হোসেন নামে এক লেপ-তোষকের ব্যবসায়ীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় রাহিমা আক্তার তার স্বামী বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বাজার করে বাড়িতে ফেরেন। রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে তিনি তার কিশোরী মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৬) ও ছেলে রাহাতকে (৭) রাতের খাবার খাওয়ানোর পর পাশের কক্ষে শুইয়ে দেন। তার স্বামী প্রতিদিন রাতে দেরিতে বাড়ি ফেরেন, এ কারণে তিনি ঘরের দরজা বন্ধ না করেই নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাহিমা আক্তারকে গলা কেটে হত্যা করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার পর মরদেহ গুম করার চেষ্টা করা হয়। এ সময় বারান্দায় থাকা একটি সেলাই মেশিনে ধাক্কা লাগলে শব্দ হয়। শব্দ শুনে নিহতের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার বাইরে এসে তার মা রাহিমা আক্তারকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হত্যাকান্ডের শিকার গৃহবধূর মেয়ে সুমাইয়া আক্তারকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জাহিদুল ইসলাম জানান, কারা বা কেন এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। তবে হত্যাকান্ডের শিকার গৃহবধূর মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। হত্যা রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধিন।

শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *