প্রকাশিত হয়েছেঃ এপ্রিল ৭, ২০২৪ সময়ঃ ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফ চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার (৭ এপ্রিল) দুপুরে পৌরএলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ড বাজার এলাকায় অবস্থিত কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে চাল বিতরণে এই অভিযোগ পাওয়া যায়।
সরেজমিন গিয়ে উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে ও অভিযাগে জানা যায়, ভালুকা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বাজার এলাকায় ৪০০ উপকারভোগীর মাঝে প্লাস্টিকের বালতি দিয়ে মেপে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। তবে ঘটনাস্থলে (টেক অফিসার) তদারকি অফিসার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জাকিয়া ফেরদৌসিকে দেখা যায়নি। এ সময় বেশ কয়েকজন উপকারভোগীর চাল ওজন দিলে দেখা যায়, প্রত্যেকেরই ১০ কেজির মাঝে প্রায় এককেজি চাল কম দেয়া হয়েছে।
তদারকি অফিসার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জাকিয়া ফেরদৌসি জানান, ভালুকা বাজারে চাল বিতরণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেন নি। তবে তিনি অসুস্থ্য থাকায় তার অফিস সহকারী লুৎফরকে দেখার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। লুৎফর রহমান জানান, তিনি কিছুক্ষন নামাজের জন্য উপস্থিত থাকতে পারেননি। বালতি দিয়ে চাল দেয়া হলেও তিনি মিটারে চাল ওজন করে বিতরণ করেছেন বলে জানান।
ভালুকা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের (বাজার এলাকা) কাউন্সিলর হুমায়ূন কবীর জানান, গোদাম থেকেই চাল কম আসে। তাই বিতরণে কিছুটা কম যেতে পারে।
ভালুকা খাদ্য কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, গোদাম থেকে চাল কম দেয়ার কোন কারণ নেই। যারা চাল উত্তোলন করে নিয়েছেন, তারা অবশ্যই ওজনে ঠিক আছে কিনা দেখে নিয়েছেন।

ময়মনসিংহের ভালুকায় ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফ চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার (৭ এপ্রিল) দুপুরে পৌরএলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ড বাজার এলাকায় অবস্থিত কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে চাল বিতরণে এই অভিযোগ পাওয়া যায়।
সরেজমিন গিয়ে উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে ও অভিযাগে জানা যায়, ভালুকা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বাজার এলাকায় ৪০০ উপকারভোগীর মাঝে প্লাস্টিকের বালতি দিয়ে মেপে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। তবে ঘটনাস্থলে (টেক অফিসার) তদারকি অফিসার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জাকিয়া ফেরদৌসিকে দেখা যায়নি। এ সময় বেশ কয়েকজন উপকারভোগীর চাল ওজন দিলে দেখা যায়, প্রত্যেকেরই ১০ কেজির মাঝে প্রায় এককেজি চাল কম দেয়া হয়েছে।
তদারকি অফিসার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জাকিয়া ফেরদৌসি জানান, ভালুকা বাজারে চাল বিতরণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেন নি। তবে তিনি অসুস্থ্য থাকায় তার অফিস সহকারী লুৎফরকে দেখার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। লুৎফর রহমান জানান, তিনি কিছুক্ষন নামাজের জন্য উপস্থিত থাকতে পারেননি। বালতি দিয়ে চাল দেয়া হলেও তিনি মিটারে চাল ওজন করে বিতরণ করেছেন বলে জানান।

ভালুকা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের (বাজার এলাকা) কাউন্সিলর হুমায়ূন কবীর জানান, গোদাম থেকেই চাল কম আসে। তাই বিতরণে কিছুটা কম যেতে পারে।
ভালুকা খাদ্য কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, গোদাম থেকে চাল কম দেয়ার কোন কারণ নেই। যারা চাল উত্তোলন করে নিয়েছেন, তারা অবশ্যই ওজনে ঠিক আছে কিনা দেখে নিয়েছেন।
মোট পড়া হয়েছে: ৮০৫

